পোস্টগুলি

গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়ম ২০২৩

ছবি
গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়ম : গুগল এডসেন্স একাউন্ট কিভাবে ওয়েবসাইটের জন্য তৈরি করতে হয় সেই বিষয়ে আমরা আজ আপনাকে জানাবো। বর্তমানে আমাদের মধ্যে অনেক লোক আছে যারা গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রতি মাসে প্রচুর পরিমাণে টাকা আয় করে যাচ্ছে। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে তবে আপনি সেখানে এডসেন্স একাউন্ট খুলে আয় করা শুরু করতে পারবেন। যারা বিভিন্ন ধরনের ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে টাকা ইনকাম করার চেষ্টা করে থাকেন তারা একজন ব্লগার হিসেবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট তৈরী করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি ব্লগ বা ওয়েবসাইট ভালো পরিমান ভিজিটর দিয়ে চালাতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি গুগল এডসেন্স একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন। কারণ প্রতিটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট গুলো ইনকাম করার মাধ্যম হচ্ছে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত মাসিক হওয়ার ফলে আপনার ওয়েবসাইটে ইনকাম তত বেশি বৃদ্ধি পাবে। আপনি যখন দেখবেন আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমানের ভিজিটর আছে সেক্ষেত্রে আপনি গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট খুলে নেবেন। আমরা জানি বর্তমান সময়ে গুগল এডসেন্স এর জন্য এত সহজ ব্যাপার নয়। গুগল এডসেন্স পেতে গেলে অনেক শ্রম দিতে হয় আপনার ...

রেললাইনের নিচে ব্যবহৃত এগুলা আসলে কি?

রেললাইনের নিচে ব্যবহৃত এগুলা আসলে কি? Ans: এক্সেল ডিটেক্টর সেন্সর রেললাইনের প্রতি ৩ থেকে ৫ কিলোমিটারের নির্দিষ্ট একটি দূরত্বে দেখতে পাওয়া যায় অ্যালুমিনিয়ামের এই বক্সটিকে। এটি আসলে যাত্রী সুরক্ষার কাজেই ব্যবহৃত হয়। রেলের ভাষায় এটিকে “অ্যাক্সেল কাউন্টার বক্স” বলা হয়। যদি কোনো ট্রেন কোনো দুর্ঘটনার স্বীকার হয় আর সেই কারণে সেই ট্রেনের কিছু বগি বা কোচ ট্রেন থেকে আলাদা হয়ে যায় তখন এক্সেল কাউন্টার (Axle counter box) বলে দেয় যে কতগুলি চাকা বা বগি মিসিং রয়েছে। আর এর ফলে রেল কর্তৃপক্ষের বুঝতে সুবিধা হয় কটা বগি মিসিং রয়েছে ও কোন এলাকায় সেই বগি গুলি ট্রেন থেকে আলাদা হয়েছিল। আর এর ফলে দুর্ঘটনার পর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তদন্ত করতে সুবিধা হয়। রেল লাইনের ধারে থাকা এই এক্সেল কাউন্টার বক্স একটি ট্রেন পাস করার পর ট্রেনের এক্সেলকে কাউন্ট করে নেয় এবং পরবর্তী কাউন্টার বক্সকে সেই ইনফরমেশন দিয়ে দেয় ও সেই কাউন্টার বক্সটিও আবার একইরকম করে কাজ করে। কিন্তু যদি এক কাউন্টার বক্সের সাথে যদি আগামী কাউন্টার বক্সের ক্যালকুলেশন ম্যাচ না করে তখন আগামী এক্সেল কাউন্টার বক্স ট্রেন থামানোর জন্য সিগ্নালকে রেড করে দেয়। রেল ল...

পৃথিবী ঘোরে নাকি সূর্য?

ছবি
 পৃথিবী ৩৬৫.২৫ দিন পর পর সূর্যকে একবার করে প্রদক্ষিণ করে। তবে এতে করে পৃথিবী কখনোই তার পূর্বের অবস্থানে ফিরে আসতে পারেনা। কারণ সূর্য নামের তারাটি নিজের জায়গাতে চুপচাপ বসে থাকেনা। আমাদের এই গ্যালাক্সিতে থাকা কয়েক হাজার কোটি তারাদের মতো সূর্যও গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ব্ল্যাকহোলকে প্রদক্ষিণ করা নিয়ে সবসময় ব্যস্ত।  সূর্যের একটা বছর হতে সময় লাগে আমাদের পৃথিবীর সময়ের হিশেবে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন বছর। আর সেইজন্য সূর্যকে প্রতিটা সেকেন্ডে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার করে পথ পাড়ি দিতে হয়। ফলে আমাদের পৃথিবী সূর্যকে ৩৬৫.২৫ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করলেও সূর্য প্রতিটা মুহূর্তেই পৃথিবীকে টেনে তার সাথে করে অনেকদূর নিয়ে যায়।  এই লেখাটা পড়তে পড়তেই হয়তো আমরা সূর্যের সাথে সাথে ৩০ লক্ষ মিটার সামনে এগিয়ে গেছি। ঠিক এই মুহূর্তে আমরা এখন যেখানে অবস্থান করছি, আর কখনোই সেখানে আমরা ফিরে আসতে পারবো না!  আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান বলছে মহাবিশ্বের পৃথিবীতে প্রতিটা বছর নতুন। প্রতিটা দিন নতুন। প্রতিটা সেকেন্ড, এমনকি প্রতিটা মুহূর্তই নতুন। প্রায় নয়টা বছর হতে চলছে থার্টিফাস্ট উদযাপন আমি করিনা। তবে সমর্থন করি। মান...

নিউটনের সূত্রসমূহ। Newton's Laws

নিউটনের সূত্র সমূহ। Newton's Laws নিউটনের সূত্র কয়টি ও কি কি বিস্তারিত আলোচনা নিউটনের তিনটি সূত্র। নিউটনের ১ম ২য় ৩য় সূত্র গুলি হলো যথাক্রমে -  1️⃣ নিউটনের প্রথম সূত্র: বাইরে থেকে প্রযুক্ত বল দ্বারা অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে বাধ্য না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং সচল বস্তু চিরকাল সমবেগে একই সরলরেখায় চলতে থাকবে।  2️⃣নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার বস্তুর উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে প্রযুক্ত হয়, ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।  3️⃣নিউটনের তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। নিউটনের প্রথম গতি সূত্র নিউটনের প্রথম সূত্র থেকে কি জানা যায় : নিউটনের প্রথম সূত্র থেকে আমরা যে দুটি বিষয় সম্পর্কে ধারণা পাই তা হলো – (a) পদার্থের জাড্য এবং (b) বলের সংজ্ঞা। জাড্য কাকে বলে? জাড্য কয় প্রকার ও কি কি? জাড্য: যে ধর্মের জন্য কোনো জড় বস্তু তার স্থিতি বা গতির অবস্থা বজায় রাখার চেষ্টা করে, সেই ধর্মকে পদার্থের জাড্য বলে। বস্তুর ভর যত বেশি হয়, তার জাড্যও তত বেশি হয়। সুতরাং, বলা যায়— বস্তুর ভরই তার জাড্...

সারা দুনিয়ার ট্রাফিক জ্যামের খবর গুগল কিভাবে জানে?

ছবি
সারা দুনিয়ার ট্রাফিক জ্যামের খবর গুগল কিভাবে জানে?  আজকাল রাস্তার ট্রাফিক জ্যামের অবস্থা জানতে আমরা গুগল ম্যাপ ব্যবহার করি। আর  জ্যামের পরিস্থিতি হিসেব করে গুগুল খুব ভালভাবে এটাও বলে দেয় যে শাহবাগ থেকে রামপুরা যেতে আপনার কতক্ষন সময় লাগবে। কিন্তু গুগল এই কাজটা করে কিভাবে? দুনিয়ার সব গাড়ির সাথেই কি গুগুলের ট্র্যাকার লাগানো আছে? নাকি স্যাটেলাইট ক্যামেরার ছবিতে গুগোল রাস্তার ছবি দেখে জ্যাম বুঝতে পারে?  আসলে সারা দুনিয়ার সব গাড়িতে গুগলের ট্র্যাকার লাগানো নেই। আর স্যাটেলাইট ক্যামেরায় পুরা দুনিয়ার ছবি প্রতি সেকেন্ডে এলানাইসিস করে প্রতি সেকেন্ডে জ্যামের আপডেট দেওয়ার মত শক্তিশালী কম্পিউটার ও ডাটা এনালাইসিস সফটয়ার এই মুহূর্তে কারও কাছেই নেই। কারন এর জন্য অস্বাভাবিক পরিমাণ ডাটা নিয়ে কাজ করতে হবে। গুগল এই কাজটা করে আপনার স্মার্ট ফোনের লোকেশন ব্যবহার করে। আমরা প্রায় সবাই স্মার্টফোনে লোকেশন শেয়ার করে রাখি। কোন রাস্তার উপর কতগুলো স্মার্ট ফোন আছে, আর সেগুলো কি বেগে চলাচল করছে তা হিসেব করে গুগোল রাস্তার ট্রাফিক জ্যামের ম্যাপ তৈরি করে।  কিন্তু কিছুদিক আগে এক লোক একটি লাগেজে ৯৯ টা মোবা...

ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরে কেন?

ছবি
অনেকেই ঘুমের মধ্যে হঠাৎ করে জেগে ওঠেন, শত চেষ্টা করেও হাত পা নাড়াতে পারেন না, অন্যদিকে শ্বাস নিতেও খুব কষ্ট হচ্ছে। অনেকেই এসময় নিজের দেহ থেকে আত্মাকে আলাদা হয়ে যেতে দেখেন, কেউ ভূত-জীন-পরী ইত্যাদি দেখে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন এমন হয়?  আসলে আমাদের মস্তিষ্ক বেশ জটিল একটি অঙ্গ। আর বুদ্ধিমত্তা ও চেতনা বিষয়টাকে আমরা যেমন একটি আলাদা জিনিস ভাবি বিষয়টা তেমন নয়। এই যে আমি বলে ভাবছি- আমি খাচ্ছি, আমি হাটছি, আমি সিদ্ধান্ত নিচ্ছি- এই আমি আসলে অনেকগুলো প্রক্রিয়ার একটা সম্মন্নিত রূপ। এই আমি থেকে এক একটি উপাদান যদি বাদ দেওয়া হয় তখন আপনি আর এই আপনি থাকবেন না। যেমন স্বপ্ন দেখার সময় আপনার যৌক্তিক চিন্তা করার অংশটা বন্ধ থাকে বলে আপনি গাড়ি নিয়ে অনায়াসে উড়ে যান। সেই আপনিও যেন একটু কেমন যেন, ঠিক দিনের বেলার আপনি না। অদ্ভুত সব কাজ করেন, আর আপনার চারপাশের দৃশ্যও থাকে অদ্ভুত। আবার আমাদের মস্তিষ্কের অনেকগুলো বিপরীতধর্মী দুই অংশ একই সাথে কাজ করে বলে আমরা মানুষরা অনেক স্ববিরোধী কাজ করি। নিজেদের জন্য ক্ষতিকর অনেক কাজ করি, নিজেদের জন্য লাভজনক অনেক কাজ করি না। বাড়িতে থাকা বউকে অনেক ভালবাসি, কিন্তু তাকে রেখে...

১৩০০ কোটি বছরের ছবি যেভাবে দেখা গেলো জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে

ছবি
  প্রতি সেকেন্ডে আলোর গতিবেগ ১ লাখ ৮৬ হাজার মাইল। সেই হিসাবে বর্তমান নক্ষত্রের যে আলো আমরা দেখি, তা কিন্তু আজকের নয়। তা আসলে ১৩০০ কোটি বছরেরও বেশি পুরোনো। যা এতদিনে আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। টেলিস্কোপে পৌঁছানোর আগে কয়েকশ কোটি বছর ধরে ভ্রমণ করেছে এ আলো। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ যে ছায়াপথের ছবি তুলেছে, তা ৪৬০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে। সেই হিসাবে যে ছবি ক্যামেরাবন্দি হয়েছে তা ১৩০০ কোটি বছর আগেকার। বিজ্ঞানীদের মতে, মহাজগতের বয়স ১৩৮০ কোটি বছর। বিজ্ঞানীদের সুবিধা হওয়ার আরও বড় কারণ হলো, উন্নত টেলিস্কোপ হওয়ায় জেমস ওয়েব উজ্জ্বল আর স্পষ্ট ছবি ক্যামেরাবন্দি করেছে। নাসার প্রশাসক বিল নেলসন বলেন, ‘আমরা ১ হাজার ৩০০ কোটি বছরেরও বেশি পেছনের দিকে তাকাচ্ছি।’ তিনি আশাপ্রকাশ করে আরো বলেন, ‘নাসা শিগগিরই আরও ছবি প্রকাশ করবে। সেগুলো প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি বছর আগেকার। এসব ছবি মহাবিশ্বের আনুমানিক শুরুর বিন্দুর কাছাকাছি। অর্থাৎ আমরা প্রায় শুরুতে ফিরে যাচ্ছি।’ বিজ্ঞানীরা ওয়েব টেলিস্কোপের তথ্যের গুণগত মান বিশ্লেষণ করে বুঝতে পারছেন যে, এই ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে এই টেলিস্কোপ তার থেকেও অনেক গভীরে গিয়ে মহাজগতের চিত্র...