Bbb

রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬

তীব্র গরমের তাপদাহে রেললাইন বেঁকে যায় কেনো?

 

 

সারা দেশে প্রচণ্ড গরম। কোথাও কোথাও ৪০-৪৬ ডিগ্রি তাপ। মানুষ তো হাপিয়ে যাচ্ছে এমনকি তীব্র গরমে রেল লাইন বেঁকে যাচ্ছে। এখানে হাহা দেয়ার কি আছে? এর তো ব্যাখ্যা আছে। তাপে রেললাইন বেঁকে যাওয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি? 

রেললাইনের দুই পাতের মধ্যবর্তী স্থান ফাঁকা রাখা হয় কেনো? যখন ট্রেন চলাচল করে তখন পাত গরম হয়ে বড় হয়ে যায়। তাই দুই পাতের মধ্যবর্তী স্থান একটু ফাঁকা রাখা হয়।



কোনো কিছু তে তাপ দিলে সেটা বড় হয়। রেললাইন অতিরিক্ত গরমের কারণে বড় হয়। দৈর্ঘেও বাড়ে আবার প্রস্থেও বাড়ে। রেললাইন বসানোর সময় দুইটা লোহার পাত এর মধ্যে একটু ফাঁকা জায়গা রেখে বসানো হয়। যাতে গরমে লোহার পাত এর আয়তন বাড়লেও লাইন এর কোনো সমস্যা না হয়। কিন্তু গরম বেশি হওয়ায় ওই ফাঁকা জায়গা পূরণ হয়ে যাওয়ার পরেও রেললাইন বৃদ্ধি পাইতে থাকে তখন ঐ লাইন বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো ফাঁকা জায়গা না থাকায় বেকে যায়।

৯/১০ এর ফিজিক্স বইতে পাবেন।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

গণত্রাণের ১০ কোটি টাকা ব্যাংকে আছে, তার ৮ কোটি আছে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে

 গণত্রাণের ১০ কোটি টাকা ব্যাংকে আছে, তার ৮ কোটি যাচ্ছে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) বন্যার্তদের জন্য গণত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচিতে ত্রাণ কার্যক্রমের হিসাবসংক্রান্ত নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গণত্রাণের ৯ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ২১৩ টাকা দুটি ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষিত আছে। এর মধ্যে ৮ কোটি টাকা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে জমা দেওয়া হবে। বাকি ১ কোটি ৯১ লাখ টাকা দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যাকবলিত জেলাগুলোর মানুষের জন্য খরচ করা হবে।


মঙ্গলবার রাতে টিএসসি মিলনায়তনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। ত্রাণ কার্যক্রমের হিসাবসংক্রান্ত নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশসহ উত্তরবঙ্গে ত্রাণ কার্যক্রম এবং সার্বিক পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।


ত্রাণ সংগ্রহ কার্যক্রমে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা পাওয়া যায়নি বলে জানান চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আজিজ হালিম খায়ের চৌধুরী ও অডিটর গোলাম ফজলুল কবির।


সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা বলেন, মোট ১১ কোটি ৬৯ লাখ ৮৪ হাজার ৪২০ টাকার তহবিল সংগ্রহ হয়েছিল। এর মধ্যে ৯ কোটি ৮৫ লাখ ১৫ হাজার ৪২৫ টাকা নগদ এবং বাকি টাকা মোবাইল ব্যাংকিং, প্রাইজ বন্ড, ডলার ও অন্যান্য মাধ্যমে আসে। এর মধ্যে মোট খরচ হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৩৩ হাজার ২০৭ টাকা। বর্তমানে ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্টে ৯ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ২১৩ টাকা রয়েছে।


ফজলুল কবির বলেন, ‘তাঁরা (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন) জরুরি ভিত্তিতে ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা নিয়েছিলেন। তবে আমরা বলেছি, এগুলো ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে থাকা উচিত নয়। এতে আইনগতভাবে এর মালিকানা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাতে থাকে না। তাঁরা আমাদের কথা শুনেছেন'।


সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জাতীয় বন্যা পুনর্বাসন কেন্দ্রের সদস্য লুৎফর রহমান বলেন, ‘আমরা এই টাকাটা দুইভাবে খরচ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ৮ কোটি টাকা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গের বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে আমাদের ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার রাতে আমাদের পাঁচটি টিম সেখানে গেছে। সেখানে জেলা প্রশাসন ও ছাত্র প্রতিনিধিদের মাধ্যমে আমরা আমাদের ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করব। আগামীকাল থেকেই সেটি শুরু হবে।’

2

তহবিলে টাকা বেড়ে যাওয়ার কারণ

ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত করে গত ৪ সেপ্টেম্বর একটি আর্থিক হিসাব দিয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সেখানে ১১ কোটি ১০ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৯ টাকা আয় এবং ১ কোটি ৭৫ লাখ ১২ হাজার ৭৯৪ টাকার হিসাব দেওয়া হয়। সেই হিসাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কাছে অবশিষ্ট ছিল ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৭৭৫ টাকা। কিন্তু নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবশিষ্ট রয়েছে ৯ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ২১৩ টাকা।


অবশিষ্ট টাকার এই অমিলের বিষয়ে জানতে চাইলে সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের আগের হিসাব ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এরপরও আমাদের কাছে বিভিন্নভাবে অর্থ এসেছে, যেগুলো অডিটে যোগ হয়েছে। এ ছাড়া অনেকগুলো চেক এসেছিল, যেগুলো আমরা তখন ক্যাশ করাতে পারিনি। সেগুলো ক্যাশ করার পর এখানে যুক্ত করা হয়েছে। অনেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে চেক দিয়েছেন। কিন্তু তখনো এই নামে আমাদের কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না।’


হাসনাত বলেন, ‘ত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচিতে অনেকে গয়না দিয়েছেন, যেগুলো আমরা বিক্রি করে টাকা পেয়েছি। টিএসসিতে ত্রাণ কার্যক্রমের পর থেকে যাওয়া কার্টুন এবং অন্যান্য সামগ্রী বিক্রির টাকা যোগ হয়েছে। এ ছাড়া এক বস্তার মতো কয়েন ছিল, যেখানে ২ লাখ টাকার বেশি হয়েছে। এগুলো আগে গণনা করা যায়নি। এসব কারণে অবশিষ্ট টাকার পরিমাণ বেড়ে গেছে। একজন ব্যক্তি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে ৩০ লাখ টাকার একটি চেক দিয়েছিলেন, কিন্তু অ্যাকাউন্ট না থাকায় তখন আমরা সেটি তুলতে পারিনি।’


সংবাদ সম্মেলনে আরেক সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা চাইলে শুরুতেই একটি অডিট রিপোর্ট করে দিতে পারতাম। কিন্তু তাতে স্বচ্ছতা নিরূপণ করা যেত না। আমরা কার্যক্রম শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই অডিট ফার্মের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা সময় নিয়ে কাজটি করে আজ প্রতিবেদন দিয়েছে।’


সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার, আবদুল কাদের, মাহিন সরকার, হাসিব আল ইসলাম প্রমুখ।

বাংলাদেশি তেলবাহী জাহাজে বাধা দেবে না ইরান

 

facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজ। ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। যদিও আইনিভাবে প্রণালিটি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি, তবে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও বিমা সুবিধার অভাবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিপিং কোম্পানিগুলো এই রুট দিয়ে তাদের সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। এ ছাড়া প্রণালিতে অবস্থানরত বা প্রবেশ করতে চাওয়া প্রায় হাজার খানেক জাহাজ বর্তমানে আটকা পড়ে আছে। অনেক জাহাজ তাদের অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) বন্ধ করে যাতায়াত করার চেষ্টা করছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন কৌশলগত পদক্ষেপ জোরদার করেছে বাংলাদেশ সরকার। এর অংশ হিসেবে, সরকারের অনুরোধে ইরান আশ্বস্ত করেছে, বাংলাদেশের তেলবাহী জাহাজগুলোকে বাধা দেওয়া হবে না।

সোমবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি জাহানাবাদীর এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই নিশ্চয়তা মিলেছে। মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী বা সংশ্লিষ্ট জাহাজ চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ তার তেল ও এলএনজিবাহী জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ইরানের সহযোগিতা চায়।

ইরান এতে সম্মতি জানিয়ে একটি শর্ত দিয়েছে- বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজগুলো প্রণালিতে প্রবেশের আগেই যেন তাদের অবস্থান ও পরিচয় ইরান কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে। এতে করে ভুলবশত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিপিং কোম্পানিগুলো বর্তমানে এই রুট দিয়ে কার্যক্রম স্থগিত রাখায় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি ও বিমা সুবিধার অভাবে বর্তমানে অন্তত এক হাজার জাহাজ এই করিডোরে আটকা পড়ে আছে। অনেকে আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম বন্ধ করে চলাচলের চেষ্টা করলেও ঝুঁকি কাটছে না। তবে ইরানের এই আশ্বাসের পর বাংলাদেশের জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় ভারতের ওপর বাংলাদেশের জ্বালানি ও বাণিজ্যনির্ভরতা আরও বাড়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্যের ৮৫ শতাংশই আমদানি-নির্ভর। পরিস্থিতি সামাল দিতে আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে আজ পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি সংকটের কথা মাথায় রেখে ভারতের কাছ থেকে বাড়তি ডিজেল আমদানির পরিকল্পনাও করছে সরকার।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ রয়েছে। গতকালই সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেলবাহী একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজে মোট ১ লাখ ২০ হাজার ২০৫ টন জ্বালানি দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু জ্বালানি নয়, খাদ্যপণ্যের বাজারেও বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং বাজার তদারকি জোরদার করেছে।

এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভারতের কাছে বাড়তি ডিজেল আমদানির প্রস্তাব দেয়ার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে আজ বাংলাদেশে আসছে পাঁচ হাজার টন ডিজেল।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, পাইপলাইনে করে এ ডিজেল বাংলাদেশে পৌঁছনোর কথা। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিদ্যুৎ-জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ভারতের ওপর বাংলাদেশের বাণিজ্যনির্ভরতা আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকারের পক্ষ থেকে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকার কথা জানানো হয়েছে। নিয়মিত বাজার তদারকির পাশাপাশি জ্বালানি তেল, গ্যাস ও এলএনজির সরবরাহ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সরকার।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যেদিকে মোড় নিচ্ছে তাতে সামনের দিনগুলোতে জ্বালানি পণ্যের পাশাপাশি খাদ্যপণ্যেরও সংকট তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫

মাইক্রোওয়েভ ওভেন যেভাবে কাজ করে

Microwave oven



প্রথম প্রথম খুব অবাক লাগত যে, আমি প্লেটে করে খাবার দিচ্ছি ওভেনে। খাবার গরম হচ্ছে, কিন্তু প্লেট গরম হচ্ছে না। কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব? কারণ ওভেন থেকে যে গরম বাতাস খাবারকে গরম করার কথা, তা তো একই সাথে প্লেটটিকেও গরম করার কথা! কিন্তু সেরকম তো হচ্ছে না!


যারা যন্ত্রটি সম্পর্কে সামান্য জানেন তারা ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছেন আমার উপরের ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল! ওভেনে আসলে এরকম কোনই যন্ত্র নেই যা থেকে কোন গরম বাতাস বের হয়ে খাবারকে গরম করে। 


আসলে ‘মাইক্রোওভেন’ এই নামটিতেই অনেকটা এর কাজের মূলনীতি লুকানো আছে। কি? ধরতে পারলেন না? ইংরেজিতে ব্যাপারটি পরিস্কার বুঝতে পারবেন।


Micro + wave + oven = Microwave oven (যাকে আমরা সচরাচর ‘মাইক্রোওভেন’ নামে ডেকে থাকি)।


মাইক্রোওভেন এ আসলে মাইক্রোওয়েভস এর মাধ্যমে খাবার গরম করা হয়। সাধারণত 2500 মেগা হার্জ বা 2.5 গিগা হার্জ এর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় এসব যন্ত্রে। এই কম্পাঙ্কের তরঙ্গের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। তা হল এই কম্পাঙ্কের তরঙ্গ কেবলমাত্র পানি, চর্বি এবং চিনি জাতীয় বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। আর শোষিত হওয়া মাত্রই তরঙ্গটি আনবিক তাপগতিতে পরিণত হয় এবং বস্তুটিকে গরম করে। সিরামিক, গ্লাস এবং অধিকাংশ প্লাস্টিক এই তরঙ্গ শোষণ করতে পারে না, আর এই জন্যই ওভেনে পাত্র গরম হয় না এবং শক্তিরও অপচয় হয় না। এক ঢিলে দুই পাখি মারা আর কি।


মাইক্রোওভেনে কখনও ধাতব পাত্র ব্যবহার করা উচিত নয়। এটি বলা হয়ে থাকে কারণ ধাতব পাত্র মাইক্রো ওয়েবকে প্রতিফলিত করে এবং খাবার কে গরম হতে বাধা দেয়।

ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরে কেনো?

 



অনেকেই ঘুমের মধ্যে হঠাৎ করে জেগে ওঠেন, শত চেষ্টা করেও হাত পা নাড়াতে পারেন না, অন্যদিকে শ্বাস নিতেও খুব কষ্ট হচ্ছে। অনেকেই এসময় নিজের দেহ থেকে আত্মাকে আলাদা হয়ে যেতে দেখেন, কেউ ভূত-জীন-পরী ইত্যাদি দেখে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন এমন হয়? 

আসলে আমাদের মস্তিষ্ক বেশ জটিল একটি অঙ্গ। আর বুদ্ধিমত্তা ও চেতনা বিষয়টাকে আমরা যেমন একটি আলাদা জিনিস ভাবি বিষয়টা তেমন নয়। এই যে আমি বলে ভাবছি- আমি খাচ্ছি, আমি হাটছি, আমি সিদ্ধান্ত নিচ্ছি- এই আমি আসলে অনেকগুলো প্রক্রিয়ার একটা সম্মন্নিত রূপ। এই আমি থেকে এক একটি উপাদান যদি বাদ দেওয়া হয় তখন আপনি আর এই আপনি থাকবেন না। যেমন স্বপ্ন দেখার সময় আপনার যৌক্তিক চিন্তা করার অংশটা বন্ধ থাকে বলে আপনি গাড়ি নিয়ে অনায়াসে উড়ে যান। সেই আপনিও যেন একটু কেমন যেন, ঠিক দিনের বেলার আপনি না। অদ্ভুত সব কাজ করেন, আর আপনার চারপাশের দৃশ্যও থাকে অদ্ভুত।

আবার আমাদের মস্তিষ্কের অনেকগুলো বিপরীতধর্মী দুই অংশ একই সাথে কাজ করে বলে আমরা মানুষরা অনেক স্ববিরোধী কাজ করি। নিজেদের জন্য ক্ষতিকর অনেক কাজ করি, নিজেদের জন্য লাভজনক অনেক কাজ করি না। বাড়িতে থাকা বউকে অনেক ভালবাসি, কিন্তু তাকে রেখে আরেক সুন্দরীর সাথে প্রেমও করি। সেই প্রেম করার সময় আবার বাড়িতে রাখা বউয়ের জন্য মায়াও লাগে। মনে হয় কাজটা ভাল হচ্ছে না। এমন হয়, কারন আপনার মস্তিষ্কের সরীসৃপ অংশ (reptile cortex) আপনাকে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি ঠেলে দেয়। কিন্তু পাইমেট ব্রেইন বা নিওকর্টেক্স আপনাকে এটাও বলে যে এটি পারিবারিক বন্ধনের জন্য ক্ষতিকর। 

আমাদের ঘুমের বিভিন্ন পর্যায় রয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ের মস্তিষ্কের আলাদা আলাদা অংশ সক্রিয় থাকে। স্বপ্নহীন ঘুমের মধ্যে তেমন কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু স্বপ্নযুক্ত ঘুমের সময় যদি আমরা পিঠের উপর ভর দিয়ে শুয়ে থাকি তাহলে অনেক সময় আমাদের শ্বাসনালী দিয়ে বাতাস নিতে সমস্যা হয়। তখন অনেক ক্ষেত্রে আমাদের মস্তিকের সতর্কীকরন ব্যবস্থা আমাদের মস্তিষ্ককে একটু জাগিয়ে দেয়। এতে যদি আমরা পাশ ফিরে শুই, বা নড়াচরা করি তাহলে অনেক সময় এই শ্বাসের সমস্যা ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু অনেক সময় তা ঠিক হয় না। তখন আমাদের মস্তিক্স এভাবে দুই তিন বারের সতর্কের ফলে প্রায় পুরোপুরি জেগে যায়। কিন্তু ঘুমের সময় আমাদের ইচ্ছেমত নড়াচড়া করার অংশটা অনেক ক্ষেত্রেই এ্যাকটিভ হয় না। তখনই শুরু হয় বোবায় ধরা। কারন আপনার মস্তিষ্ক তখন স্বপ্ন দেখার স্টেজে, তাই আপনি ভূত প্রেত সহ যেকোনো আজব কিছুই দেখতে পারেন, হয়ত শুয়ে শুয়ে গাড়িও চালতে পারেন। কারন আপনার যুক্তির অংশটা কাজ করছে না। কিন্তু আপনার মস্তিক্সের প্রায় অনেকটাই আবার জেগে আছে, তাই আপনি যে আপনি, সেই চিন্তাটা সচেতনভাবে করতে পারেন। অন্যদিকে আপনার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। এর ফলে মস্তিক্সের ভয় সেন্টার এ্যাকটিভ হয়ে যায়। আর সবচেয় বড় সমস্যা হলো- আপনি চাইলেও আপনার হাত পা নাড়াতে পারেন না। কারন মস্তিক্সের সেই অংশটি এখন অফ আছে।  

মূল কথা হলো- এই বোবায় ধরা এমন একটি অবস্থা, যখন আমাদের শ্বাসকষ্ট হয় এবং তার কারনে মস্তিষ্কের বেশ কিছু অংশ এ্যাক্টিভ থাকে কিন্তু আবার প্রয়োজনীয় বেশ কিছু অংশ এ্যাক্টিভ না থাকার কারনে আমাদের এক ধরণের অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতা হয়।  

তথ্যসূত্রঃ Cheyne, J.; Rueffer, S.; Newby-Clark, I. (1999). "Hypnagogic and Hypnopompic Hallucinations during Sleep Paralysis: Neurological and Cultural Construction of the Night-Mare". Consciousness and Cognition. 8 (3): 319–337.

দয়া করে মসজিদে এসব চেয়ার টানাটানি বন্ধ করুন

 

দয়া করে মসজিদে এসব চেয়ার টানাটানি বন্ধ করুন।

 


আপনি সুস্থ হোন কিংবা অসুস্থ, নামাজ তো মাফ নেই, মসজিদে এসে নামাজ আপনাকে পড়তেই হবে। যদি কোনোভাবেই মসজিদে আসার সামর্থ্য না থাকে তাহলে বাড়িতেই নামাজটা আদায় করতে হবে। দাঁড়িয়ে পড়তে না পারলে বসে পড়তে হবে। তাও না পারলে শুয়ে শুয়ে ইশারার মাধ্যমে নামাজ পড়তে হবে। তারপরও নামাজ মাফ নেই।


ইদানিং মসজিদে এসে চেয়ারে বসে নামাজ পড়া একটি প্রথা আমাদের সমাজে পরিলক্ষিত হচ্ছে। আসলে মসজিদে যারা চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করেন তারা নিজেরাই মুফতী সেজে ফতোয়া দিয়ে বসেন। কেউ কেউ  সৌদি,কুয়েত, কাতার সহ আরব আমিরাতের দেশগুলোকে দলিল হিসেবে দাড় করিয়ে বলকে থাকেন, তারা যদি সোফায় বসে নামাজ পড়তে পারে আমরা পারবোনা কেনো? আসতাগফিরুল্লাহ। সৌদিআরব তো ইসলামের কোনো দলিল নয়, কুয়েত কাতার কিংবা আরবদেশগুলো কি ইসলামের দলিল?

 এখনই যদি মসজিদে এইসব সব চেয়ার/সোফা টানাটানি বন্ধ না করা হয়। তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এটা দলিল হয়ে দাড়াবে। তারা বলতে থাকবে, আমাদের বাপদাদারা চেয়ারে বসে নামাজ পড়েছেন। এটা যদি ঠিক না হতো তাহলে তারা কি চেয়ারে বসে নামাজ পড়তো?

 প্লিজ ইসলাম কে এত সস্তা ভাববেন না, কারো মনগড়া ইসলাম চলবে না। কোরআন হাদীস যেভাবে বলে ঠিক সেভাবেই ইসলামের বিধানসমুহ পালণ করতে হবে। অবস্থা দিন দিন এমন হচ্ছে যে, কয়েক বছর পর জুমার নামাজে মসজিদ কমিটিকে ডেকোরেটর ভাড়া করতে হবে। আমাদের সমাজে এমন কিছু লোক আছে তারা হাটে ঘাটে মাঠে গিয়ে সারাদিন কাজকর্ম করতে পারেন অথচ সামান্য সময়ের নামাজের জন্য চেয়ার লাগে। এমনও দেখেছি সারা সপ্তাহে একদিন শুক্রবার আসলে মসজিদে চেয়ার ছাড়া বসতে চান না। এসব লোক কি চেয়ারে বসে বসে মসজিদে আসেন নাকি পায়ে হেটে আসেন?

যদি পায়ে হেটে মসজিদ পর্যন্ত আসতে পারেন তাহলে পায়ে ভর করে নামাজটাও আদায় করতে পারবেন। আপনি যদি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে না পারেন তাহলে বসে নামাজ পড়বেন। তাও না পারলে  ইশারার মাধ্যমে শুয়ে নামাজ পড়বেন। দাঁড়িয়ে সামাজ না পড়তে পারলে বসে পড়বেন সমস্যা নাই। চেয়ার ছাড়া ফ্লোরে বসে নামাজটা আদায় করবেন।

Comments

তীব্র গরমের তাপদাহে রেললাইন বেঁকে যায় কেনো?

 

সারা দেশে প্রচণ্ড গরম। কোথাও কোথাও ৪০-৪৬ ডিগ্রি তাপ। মানুষ তো হাপিয়ে যাচ্ছে এমনকি তীব্র গরমে রেল লাইন বেঁকে যাচ্ছে। এখানে হাহা দেয়ার কি আছে? এর তো ব্যাখ্যা আছে। তাপে রেললাইন বেঁকে যাওয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি? 

রেললাইনের দুই পাতের মধ্যবর্তী স্থান ফাঁকা রাখা হয় কেনো? যখন ট্রেন চলাচল করে তখন পাত গরম হয়ে বড় হয়ে যায়। তাই দুই পাতের মধ্যবর্তী স্থান একটু ফাঁকা রাখা হয়।



কোনো কিছু তে তাপ দিলে সেটা বড় হয়। রেললাইন অতিরিক্ত গরমের কারণে বড় হয়। দৈর্ঘেও বাড়ে আবার প্রস্থেও বাড়ে। রেললাইন বসানোর সময় দুইটা লোহার পাত এর মধ্যে একটু ফাঁকা জায়গা রেখে বসানো হয়। যাতে গরমে লোহার পাত এর আয়তন বাড়লেও লাইন এর কোনো সমস্যা না হয়। কিন্তু গরম বেশি হওয়ায় ওই ফাঁকা জায়গা পূরণ হয়ে যাওয়ার পরেও রেললাইন বৃদ্ধি পাইতে থাকে তখন ঐ লাইন বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো ফাঁকা জায়গা না থাকায় বেকে যায়।

শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪

বাংলা ফ্রি ফন্ট ব্যবহার করে ডিজাইনিং করুন


বাংলা ফ্রি ফন্ট ডাউনলোড করুন 

  আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে উপস্থিত হলাম হাজার হাজার ফ্রি বাংলা ফন্ট এবং প্রিমিয়াম বাংলা ফন্টের বড় একটি প্লাটফর্ম। এই সাইটে রয়েছে বাংলা ফন্টের বিপুল সমাহার।
  বাংলা ফন্ট জগতের আকর্ষণীয়, নিত্য-নতুন, আভিজাত্য ও পছন্দনীয় সকল বাংলা ফন্ট উপহার দিচ্ছে এই সাইট। ফন্ট লিপি, লিপিঘর, বঙ্গ লিপি, অক্ষর ৫২, ফন্ট বিডি, বাংলার ফন্ট, ওমিক্রনল্যাব, কোডপত্র, বিডি লাইফ সহ দারুণ সব বাংলা ফন্ট জগতের বিপুল সমাহার এই সাইট।
  আপনি যদি আরো উন্নত ও পছন্দনীয় ফন্ট নিতে চান তাহলে প্রিমিয়াম ফন্ট গুলো কিনতে পারেন। আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয় ফন্টগুলো দেখতে ও কিনতে চাইলে এখান থেকে নিতে পারবেন।





আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে উপস্থিত হলাম ফ্রি বাংলা ফন্ট এবং প্রিমিয়াম বাংলা ফন্টের বড় একটি প্লাটফর্ম ,আমাদের সাইটে রয়েছে বাংলা ফন্টের বিপুল সমাহার। নিত্য-নতুন ও আভিজাত্য সকল বাংলা ফন্ট উপহার দিচ্ছি আমরা। এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন👉 


এরকম আরো হাজারো বাংলা ফ্রি ফন্ট পেতে চাইলে নিচের সাইটগুলো থেকে ডাউনলোড করে নিন।

আপনি যদি আরো উন্নত ও পছন্দনীয় ফন্ট নিতে চান তাহলে প্রিমিয়াম ফন্ট গুলো কিনতে পারেন। আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয় ফন্টগুলো দেখতে ও কিনতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

https://fontlipi.com/shop

https://lipighor.com/premiumfont.html

https://fontbd.com/premium-font/

আরো আকর্ষনীয় সব ফিচার পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।।

শুক্রবার, ২৩ জুন, ২০২৩

এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই ঢাবি

এশিয়া মহাদেশের সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভারত, ভিয়েতনাম ও পাকিস্তানের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম থাকলেও নেই বাংলাদেশের পাবলিক বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। টাইমস হায়ার এডুকেশনে এশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় ১৮৬তম অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ১৯২তম অবস্থানে আছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

২০২৩ শিক্ষাবর্ষে টাইমস হায়ার এডুকেশনের প্রকাশিত ম্যাগাজিন থেকে এ তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, পাঠদান, গবেষণা, জ্ঞান বিনিয়ময় ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি এই চারটি বিষয়ে ১৩টি দক্ষতার ভিত্তিতে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।



তালিকার ৪০১ থেকে ৫০০তম অবস্থানে বাংলাদেশের আরো ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাকৃবি ও কুমিল্লা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-কুয়েট।


ম্যাগাজিনে আরো বলা হয়, মোট ১ হাজার ৭৯৯টি বিশ্ববিদ্যালয় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংক পাওয়ার যোগ্যতা পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি 'রিপোর্টার' হিসেবে মূল তালিকায় যুক্ত করার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। 


তালিকায় রিপোর্টার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, যশোর প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়।



প্রাসঙ্গিক

সম্পর্কিত খবর

চবির সাংবাদিকতা বিভাগে ফ্যাক্ট চেক বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

চবির সাংবাদিকতা বিভাগে ফ্যাক্ট চেক বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

দুজন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার

দুজন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯১৩ কোটি টাকার বাজেট, গবেষণায় ১.৬৪ শতাংশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯১৩ কোটি টাকার বাজেট, গবেষণায় ১.৬৪ শতাংশ

চবিতে সাংবাদিক মোহাম্মদের ওপর হামলা, শাস্তির দাবি ডুজার

চবিতে সাংবাদিক মোহাম্মদের ওপর হামলা, শাস্তির দাবি ডুজার



বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০২৩

ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে কেন?

ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে কেন?


ঘড়ির কাঁটা কেন ডান দিকে ঘোরে। কারণ, ঘড়ি আবিষ্কার হয়েছিল ইংল্যান্ড বা ইউরোপের কোনো দেশে। এর আগে ছিল সূর্যঘড়ি। ইংল্যান্ড পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে হওয়ায় সূর্য দক্ষিণ আকাশে হেলে থাকে। এ কারণে সূর্যঘড়ির যে দণ্ডের ছায়া দেখে সময় পরিমাপ করা হয়, সেই ছায়াটি বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ঘোরে। কারণ, ওই স্থানটি উত্তর গোলার্ধে। ওখানে সূর্য যখন পূব থেকে পশ্চিমে যায়, তখন সূর্যঘড়ির দণ্ডের ছায়াটি বাঁ থেকে ডান দিকে ঘোরে। তাই ঘড়ি আবিষ্কারের সময় স্বাভাবিক ও অভিজ্ঞতালব্ধ চিন্তা অনুযায়ী ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরানোর পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।





মানব সভ্যতায় ঘড়ি একটি যুগান্তকারি আবিস্কার। পৃথিবীর প্রায় সব জায়গায় ঘড়ির ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু আজ আমরা যে ঘড়ি ব্যবহার করছি তার ইতিহাস অনেক পুরনো । পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ঘড়ি, মানে সবচেয়ে পুরোনো সূর্যঘড়ির মর্যাদা পায় মিশরীয়দের ওবেলিস্ক।


ধারণা করা হয়, মিশরীয়রা এই ঘড়ি বানানো শিখেছিল খ্রিস্টের জন্মেরও সাড়ে ৩ হাজার বছর আগে। এরকম আরেকটা ঘড়িকে বলা হয় ‘শ্যাডো ক্লক’। ‘শ্যাডো ক্লক’ টা বানিয়েছিল ব্যবিলনীয়রা, খ্রিস্টের জন্মের প্রায় দেড় হাজার বছর আগে।


এই সূর্যঘড়িগুলোতে সময় দেখা হতো সূর্যের ছায়া দেখে। অর্থাৎ সময় নির্দেশক যে কাঁটা বা দণ্ড, সেটা স্থির থাকতো আর সূর্যের ছায়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সরে যেতো। আর আমাদের ঘড়িতে আবার উল্টো; এই কাঁটাগুলোই ঘুরে ঘুরে সময় জানান দেয়। ছায়া দেখার কোনো বালাই-ই নেই। এরকম ঘড়ি, মানে যে ঘড়িতে কাঁটা ঘুরে ঘুরে সময় জানান দেয়, সেরকম ঘড়ি প্রথম বানানো হয় ১৩ শতকে। তবে তখনই এই ঘড়িগুলো তেমন জনপ্রিয় হয়নি। হবে কী করে বলো, তখনো যে মানুষের সময় দেখার তেমন প্রয়োজনই হয়নি। সূর্য দেখেই মানুষ বুঝতো- এখন সকাল না দুপুর, বিকাল না সন্ধ্যা। তখন এরচেয়ে বেশি সময় দেখার তেমন দরকার হতো না।



এর মোটামুটি ৪০০ বছর পরে, ১৮ শতকে যখন কল-কারখানা বসতে শুরু করলো, তখন মানুষের সময় দেখার দরকার হতে শুরু করলো। নির্দিষ্ট সময়ে কারখানায় যেতে হবে, নির্দিষ্ট সময় দুপুরের খাবার খেয়ে আবার কাজে লাগতে হবে, নির্দিষ্ট সময়ে ছুটি হবে। তা না হলে যে কারখানাই চলবে না! কারখানায় যদি একজন সকাল সাতটায়, একজন সকাল আটটায়, আরেকজন সকাল নয়টায় আসে, মানে যেমন ইচ্ছে তেমন আসতে থাকে, তাহলে কী করে হবে বলো? তখন সবার ওই কাঁটাওয়ালা ঘড়ির দরকার পড়লো; যেন সবাই সময় মতো সব কাজ করতে পারে। এবার কিন্তু ঘড়ি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠলো।



এবার একটা হিসেব মেলানো যাক। যে অঞ্চলে পুরোনো ঘড়িগুলো তৈরি হয়েছিল, মিশর আর ব্যবিলন- এগুলো কিন্তু একই অঞ্চলে। আর এই অঞ্চলের অবস্থানের কারণে সূর্যঘড়ির ছায়া দিনের সাথে ক্রমাগত পশ্চিম থেকে উত্তর হয়ে পূর্বদিকে সরে যেত। অর্থাৎ, দিন যতো গড়িয়ে রাতের দিকে যেত, ছায়াও ততো পশ্চিম দিক থেকে উত্তর দিক হয়ে পূর্ব দিকে যেত। সেখান থেকেই ঘড়ির কাঁটার দিকের ব্যাপারটা এসেছে। সেই অনুযায়ী-ই ঘড়ির কাঁটা পশ্চিম থেকে উত্তর ছুঁয়ে পূর্ব দিকে যায়।



ভাবছেন, পশ্চিম-উত্তর-পূর্বের সাথে আবার বাম- ডানের কী সম্পর্ক? আচ্ছা, তাহলে একটা মানচিত্র নিয়ে বসেন। দেখেন তো, মানচিত্রের উপরের দিকে দিক নির্দেশক একটা চিহ্ন আছে কিনা? পেয়েছেন? এবার দেখুন তো, উপরের দিকের চিহ্নের পাশে কোন দিকের কথা লেখা? আর কিছু লেখা না থাকলেও ইংরেজি বর্ণের ‘এন’ লেখা আছে, তাই না? এই ‘এন’র হলো নর্থ বুঝাতে লেখা হয়। বাংলায় যাকে বলে উত্তর ।



আর মানচিত্রের নিচের দিকটা হল দক্ষিণ। এবার দেখো তো, বাম দিকে আর ডান দিকে কী পরে? হ্যাঁ, বাম দিকে পশ্চিম, আর ডান দিকে পূর্ব। এবার বুঝলেন তো, ঘড়ির কাঁটা কেন বাম থেকে সবসময় ডান দিকে যাচ্ছে?

মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩

বিশ্বকাপকে বিদায় জানালেন মেসি

 বিশ্বকাপকে বিদায় জানালেন মেসি

ছবিটি মেসির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া


দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারে পায়ের জাদুতে গোটা বিশ্বকে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন লিওনেল মেসি। সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সবকিছুই জিতেছিলেন। কেবল বিশ্বকাপটাই বাকি ছিল। কাতারে সেই অপূর্ণতাও ঘুচিয়েছেন ফুটবলের এই ক্ষুদে জাদুকর। ফুটবল থেকে চাওয়ার আর কিছুই নেই তার।


অনেকেই ভেবেছিলেন, বিশ্বকাপের পর অবসর নেবেন মেসি। কিন্তু, আর্জেন্টিনার তিন তারকা জার্সিতে খেলতে চেয়েছেন তিনি। সেই আশাও পূর্ণ হয়েছে। এবার মেসি ঘোষণা দিলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন না তিনি। আজ মঙ্গলবার (১৩ জুন) এমন তথ্যই জানিয়েছেন ফুটবল বিষয়ক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গোল ডটকম।


আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলতে আর্জেন্টিনা দল বর্তমানে চীনে। সেখানে টাইটান স্পোর্টসের সঙ্গে কথা বলেছেন মেসি। টাইটান স্পোর্টসের বরাতেই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েচে গোল ডটকম।


প্রতিবেদনে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ‘আগামী বিশ্বকাপে খেলা প্রসঙ্গে মেসি বলেন, আমার মনে হয় না। আমি আগেও বলেছি, এটিই আমার শেষ বিশ্বকাপ। জানি না সামনে কী হবে। তবে, আমার দিক থেকে পরিষ্কার। সামনের বিশ্বকাপে যাচ্ছি না আমি।’


পিএসজি ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়েছেন মেসি। ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা ও ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র। মেসি ভক্তরা তাই আশায় বুক বেঁধেছিল, হয়ত মেসিকে আবারও দেখতে পারবেন বিশ্বকাপের মঞ্চে। কিন্তু, সর্বজয়ী মেসি জানিয়ে ভক্তদের আশা ভেঙে দিলেন।



কাতার বিশ্বকাপে অসাধারণ ফুটবলশৈলী দেখিয়ে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপের শিরোপা নিজেদের করে নেয় আর্জেন্টিনা। যেখানে নেতার মতো সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

রবিবার, ১১ জুন, ২০২৩

মৃদু বিষধর সাপ

 মৃদু বিষধর সাপ

 12 June, 2023

 

No Comments
Click to Share!

আমরা অনেকেই জানি বিষের তিব্রতার ভিত্তিতে সাপকে ৩ ভাগে বিভক্ত করা হয়। বিষধর(venomous), মৃদু বিষধর(mildly venomous) এবং নির্বিষ(nonvenomous). বিষধর ও নির্বিষ সম্পর্কে ধারণা থাকলেও মৃদু বিষধর নিয়ে আমাদের জ্ঞান সীমিত। আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় মৃদু বিষধর সাপ।

মূল আলোচনাঃ কোনো সাপ মৃদু বিষধর হওয়ার পেছনে দুইটা বিষয় জড়িত, বিষ দাঁতের ধরণ এবং অভ্যন্তরীণ জটিলতা।

 


১. বিষ দাঁতের ধরণ(type of fangs): মৃদু বিষধর সাপেদের বিষদাঁতের ধরণ “ওফিসটোগ্লাইফা”। এদের পেছনের দিকে ছোট বিষদাঁত (rear fangs) থাকে। বিষদাঁতের সামনে 4+ সাধারণ “অ্যাগ্লাইফা” বা নিরেট দাঁত থাকে। এদের বিষদাঁত সুগঠিত নয়। বিষদাঁতের অভ্যন্তরীন অংশ ফাঁপা থাকেনা, এরা সিরিঞ্জের মতো বিষ ইনজেক্ট করাতে অক্ষম। দাঁতের মাঝে খাঁজ কাটা থাকে, খাঁজ কাটা অংশ দিয়ে বিষ প্রবাহিত হয়ে মানবশরীরে প্রবেশ করতে পারে।

২। অভ্যন্তরীণ জটিলতা(Internal complications): মৃদু বিষধর সাপেদের প্রচলিত বিষ থলি(venom gland) থাকে না। প্রচলিত বিষ থলির পরিবর্তে এদের একটা বিশেষ ধরণের গ্রন্থি থাকে। যেটাকে “ডুভেরনয়ের গ্রন্থি” বা Duvernoy’s gland বলে। ১৮৩২ সালে Georges Louis Duvernoy নামের বিখ্যাত ফরাসি প্রাণীবিদ এই গ্রন্থি সম্পর্কে প্রথম আলোচনা করেছিলেন। তার নামেই এই গ্রন্থির নামকরণ করা হয়েছে। প্রচলিত বিষ গ্রন্থি থেকে ডুভেনয়ের গ্রন্থি ছোট হওয়ায় অনেক কম বিষ উৎপন্ন করে, এবং বিষ সংরক্ষণের ক্ষমতাও কম। প্রচলিত বিষ গ্রন্থি থেকে বিষ প্রয়োগের জন্যে Compressor muscle থাকে যা নিচের চোয়ালের সাথে যুক্ত থাকে। কিন্তু ডুভেনয়ের গ্রন্থিতে চাপ সৃষ্টিকারী কোনো পেশি থাকেনা। ফলে মৃদু বিষধর সাপের ক্ষেত্রে তার ভিকটিমকে প্রভাবিত করতে বার বার গভীর ভাবে কামড়াতে হবে অথবা কামড় দিয়ে অনেক্ষণ আটকে থাকতে হবে, যেটা প্রায় অসম্ভব।

মৃদু বিষধর সাপ কামড়ালে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিষ প্রয়োগে অক্ষম হয়, বিষ প্রয়োগ করলেও সেটা মৌমাছির হুল ফোটানোর মতো যন্ত্রণা সৃষ্টিকারী হতে পারে। কামড়ানোর স্থান ২-১ ঘন্টা ফুলে থাকতে পারে। কামড়ানোর স্থান চুলকাতে পারে, অ্যালার্জি থাকলে সেটার লক্ষ্মণ প্রকাশ পেতে পারে।
মৃদু বিষধর সাপের কামড়ে অ্যান্টিভেনোম প্রয়োজন হয়না, সামান্য মাত্রার বিষ আমাদের শরীরের অ্যান্টিবডি প্রতিরোধ করতে সক্ষম।