ALI AHMED NUMAN

DIGITAL SERVICE BD

অবসরে দেখতে পারেন যে ১০ সায়েন্স ফিকশন মুভি

 অবসরে সায়েন্স ফিকশন দেখতে পছন্দ করেন? কল্পরথে চড়ে ডানা মেলতে চান বিজ্ঞানের মজার সব তত্ত্ব এবং ভিন্ন বাস্তবতায়? তাহলে এই মুভিগুলো আপনার জন্য। এর কোনোটিতে ওয়ার্মহোলের মধ্য দিয়ে চলে যেতে পারেন মহাবিশ্বের দূরপ্রান্তের কোনো গ্রহে, কিংবা মহাকাশে জীবন বাঁচানোর লড়াই, সময়ের উল্টো দিকে কিংবা ভিন্ন এক মহাজাগতিক সভ্যতায়…

১

মুভির নাম: ইন্টারস্টেলার

পরিচালক ও লেখক: ক্রিস্টোফার নোলান

ধরন: থ্রিলার, ড্রামা, অ্যাডভেঞ্চার 

প্রকাশকাল: ২০১৪

ব্যাপ্তি: ২ ঘণ্টা ৪৯ মিনিট

আইএমডিবি রেটিং: ৮.৭

পুরস্কার: সেরা ভিজ্যুয়াল এফেক্টের জন্য অস্কার

ক্রিস্টোফার নোলানের ইন্টারস্টেলার কেবল সাধারণ বিজ্ঞান কল্পকাহিনী মুভি নয়, এটা একটা মাস্টারপিস। ছবিটির গল্প শুরু হয় এমন এক পৃথিবীতে, যেখানে প্রবল ধূলিঝড় ও খাদ্যের অভাব। মানবজাতিকে বাঁচানোর শেষ আশা হিসেবে কুপার নামে এক প্রাক্তন পাইলট বাধ্য হয়ে বেরিয়ে পড়েন মহাকাশ অভিযানে। তাঁর মূল লক্ষ্য শনি গ্রহের কাছে খুঁজে পাওয়া একটি ওয়ার্মহোলের (Wormhole) মধ্য দিয়ে ছুটে যাওয়া মহাবিশ্বের অন্য কোনো প্রান্তে, খুঁজে বের করা নতুন কোনো বাসযোগ্য গ্রহ। মুভিতে টাইম ডাইলেশন, ব্ল্যাকহোলের মতো জটিল ও আকর্ষণীয় বৈজ্ঞানিক অনেক বিষয় দেখা যাবে। শেষ পর্যন্ত কুপার কি খুঁজে পায় নতুন কোনো গ্রহ? কী আছে ওয়ার্মহোলের ওপারে? জানতে দেখতে হবে মুভিটি।

২

মুভির নাম: দ্য মার্শিয়ান

পরিচালক: রিডলি স্কট

লেখক: অ্যান্ডি ওয়েইয়ার

ধরন: অ্যাডভেঞ্চার ড্রামা, সারভাইভাল

প্রকাশকাল: ২০১৫

ব্যাপ্তি: ২ ঘণ্টা ২৪ মিনিট

আইএমডিবি রেটিং: ৮.০

২০৩৫ সাল। মার্ক ওয়াটনি (ম্যাট ডেমন) একটি মিশনের অংশ হিসেবে মঙ্গল গ্রহে যায়। হঠাৎ এক প্রচণ্ড ধূলিঝড়ের কবলে পড়ে তাদের অভিযান। উড়ে আসা একটি অ্যান্টেনা আঘাত করে ওয়াটনিকে। ছিটকে পড়ে সে। দলের অন্যরা তাকে মৃত ভেবে প্রাণ বাঁচাতে দ্রুত মঙ্গল গ্রহ ছেড়ে পৃথিবীর দিকে রওনা হয়। ওয়াটনি জ্ঞান ফিরে পেয়ে নিজেকে মঙ্গল গ্রহে সম্পূর্ণ একা আবিষ্কার করে। তার কাছে থাকা খাবার, পানি, অক্সিজেন সীমিত। পৃথিবীতে যোগাযোগের কোনো উপায় নেয়। আদৌ কি সে আর কখনো ফিরতে পারবে পৃথিবীতে? এই পরিস্থিতিতে মঙ্গল গ্রহে সে বাঁচবে কীভাবে? জানতে দেখতে পারেন দ্য মার্শিয়ান। দারুণ এই মুভিটির বৈজ্ঞানিক দিকগুলো যেমন উপভোগ্য, তেমনি মুভির দৃশ্যায়ন, গল্প এবং চমৎকার রসাত্মক উপস্থাপনাও দর্শকের মন যোগাবে।

৩

মুভির নাম: গ্র্যাভিটি

পরিচালক: আলফোনসো কুয়ারোন

ধরন: সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার

প্রকাশকাল: ২০১৩

ব্যাপ্তি: ১ ঘণ্টা ৩১ মিনিটের

আইএমডিবি রেটিং: ৭.৭

নভোচারী ম্যাট কোয়ালস্কির নেতৃত্বে স্পেস শাটল এক্সপ্লোরার পৃথিবীর কক্ষপথে ছুটে যায়। সেখানে হাবল স্পেস টেলিস্কোপে কিছু মেরামত প্রয়োজন। এই মিশনের এক সদস্য রায়ান স্টোন। পেশায় তিনি মেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। এটা তাঁর প্রথম মহাকাশ অভিযান। আসলে, কালের আবর্তে নষ্ট হয়ে গেছে হাবল টেলিস্কোপের যোগাযোগ ব্যবস্থা। মিশন কন্ট্রোল থেকে কোনো তথ্যই গ্রহণ করতে পারছে না এটি। রায়ানের কাজ হলো স্যাটেলাইটটির যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক করার জন্য প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করা। সে জন্য নভোযান থেকে বেরিয়ে কাজে নামলেন ম্যাট ও রায়ান। এ সময় হঠাৎ এক পুরাতন স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্থ হয় শাটল। মূল নভোযান থেকে আলাদা হয়ে যান এই দুই নভোচারী। পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের কোনো উপায় নেই, নেই উদ্ধারের কোনো আশা। কী করবেন তাঁরা?

৪

মুভির নাম: অ্যারাইভাল

পরিচালক: ডেনিস ভিলেনিউভ

লেখক: এরিক হাইসেরা

ধরন: সায়েন্স ফিকশন ড্রামা

প্রকাশকাল: ২০১৬ 

ব্যাপ্তি: ১ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট

আইএমডিবি রেটিং: ৭.৯

পুরস্কার: একটি অস্কার

কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই, পৃথিবীর ১২টি ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় বিশালাকার, ডিম্বাকৃতির ভিনগ্রহী মহাকাশযান অবতরণ করে। এই অপ্রত্যাশিত আগমনের ফলে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয় ব্যাপক আতঙ্ক। প্রতিটি দেশ নিজেদের মতো করে এই ভিনগ্রহীদের উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করে। মানুষ কি এই এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবে? আদৌ কি সেটা সম্ভব? কিন্তু যোগাযোগ করা না গেলে কীভাবে বোঝা যাবে তাদের আগমনের উদ্দেশ্য? এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কেন এসেছে এসব এলিয়েন পৃথিবীতে? জবাব পেতে দেখুন অ্যারাইভাল।

৫

মুভির নাম: টেনেট

পরিচালক ও লেখক: ক্রিস্টোফার নোলান

ধরন: অ্যাকশন, স্পাই, অ্যাডভেঞ্চার, ড্রামা, থ্রিলার

প্রকাশকাল: ২০২০

ব্যাপ্তি: ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট

আইএমডিবি রেটিং: ৭.৩

পুরস্কার: একটি অস্কার

আমরা টাইম ট্রাভেলের কথা জানি। কোনো মেশিনের সাহায্যে ভবিষ্যতে বা অতীতে যাওয়া। কিন্তু টাইম বা সময়ের দিক কোত্থেকে আসে? আসে এনট্রপি থেকে। তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র বলে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে বিশৃঙ্খলার পরিমাণ বা এনট্রপি। তাহলে, এনট্রপি কমিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে কি অতীতে যাওয়া সম্ভব? তখন কি বন্দুক থেকে গুলি বেরোবে, নাকি উল্টোভাবে ঢুকে পড়বে বন্দুকের ভেতরে? নিখাদ বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব, ভয়ংকর ষড়যন্ত্র ও রহস্য সমাধানের লক্ষ্যে ছুটে চলা এবং দারুণ অ্যাকশন। সব মিলিয়ে টেনেট নোলানের আরেকটি অসাধারণ একটা মুভি।

৬

মুভির নাম: দ্য ইলেকট্রিক স্টেট

পরিচালক: অ্যান্টনি রুশো এবং জো রুশো

ধরন: অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার, ড্রামা

প্রকাশকাল: ২০২৫

ব্যাপ্তি: ২ ঘণ্টা ৪ মিনিট

আইএমডিবি রেটিং: ৫.৯

অতিরিক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারে ভবিষ্যতে আমাদের কী অবস্থা হতে পারে? রোবট, মানুষ, মানবতা ও প্রযুক্তির সম্পর্ক এবং পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে এই মুভি। দেখে মনে হবে যেন মুভির ক্যানভাসে কেউ আর্ট করছে—চোখে শান্তি পাবেন দর্শক। মিলবে অন্যরকম এক তৃপ্তি।

৭

মুভির নাম: ইনসেপশন

পরিচালক ও লেখক: ক্রিস্টোফার নোলান

ধরন: সায়েন্স ফিকশন, থ্রিলার, হাইস্ট

প্রকাশকাল: ২০১০

ব্যাপ্তি: ২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট

আইএমডিবি রেটিং: ৮.৮

পুরস্কার: ৪টি অস্কার

মুভিটিতে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও অভিনয় করেছেন একজন এক্সট্র্যাক্টরের। তাঁর কাজ স্বপ্নের গভীরে গিয়ে মানুষের মস্তিষ্কের ভেতর থেকে গোপন তথ্য চুরি করা। এ এক অদ্ভুত হেঁয়ালি। দেখতে দেখতে পাঠক ধাঁধায় পড়ে যাবেন। ভাববেন, আদৌ কি আমরা বাস্তবতাকে আলাদাভাবে বুঝতে পারি? কিন্তু কোনটা স্বপ্ন, আর কোনটা বাস্তব?

৮

মুভির নাম: ওপেনহাইমার

পরিচালক ও লেখক: ক্রিস্টোফার নোলান

ধরন: হিস্টোরিক্যাল পিরিয়ড ড্রামা, জীবনী

প্রকাশকাল: ২০২৩

ব্যাপ্তি: ৩ ঘণ্টা

আইএমডিবি রেটিং: ৮.৩

পুরস্কার: ৭টি অস্কার

রবার্ট ওপেনহাইমার। পারমাণবিক বোমার জনক। পরমাণুবিজ্ঞানে যাঁর কাজ কিংবদন্তীতুল্য। মার্কিন এই বিজ্ঞানীর জীবনের বিশেষ এক সময়—পারমাণবিক বোমা তৈরি এবং এর ফলাফল নিয়ে চলচ্চিত্রটি বানিয়েছেন ক্রিস্টোফার নোলান। ওপেনহাইমারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কিলিয়ান মার্ফি। দারুণ এই ছবি নিয়ে আরও জানতে পড়ুন: ওপেনহাইমার: আধুনিক প্রমিথিউসের কাহিনি। কিংবা নিজেই দেখে নিন দ্রুত।

৯

মুভির নাম: ডুন: পার্ট ১ ও ২

পরিচালক: ডেনিস ভিলেন্যুভ

লেখক: ফ্রাঙ্ক হারবার্ট

ধরন: ড্রামা, অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার, পলিটিকাল

প্রকাশকাল: ২০২১ এবং ২০২৪

ব্যাপ্তি: ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ও ২ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট

আইএমডিবি রেটিং: ৮.০ ও ৮.৫

পুরস্কার: অস্কার

ডেনিস ভিলেন্যুভ পরিচালিত ডুন: পার্ট ১ ও পার্ট ২ মুভি দুটি নির্মিত হয়েছে ফ্রাঙ্ক হারবার্টের কালজয়ী উপন্যাস ডুন থেকে। মুভিটি একটি সুদূর ভবিষ্যতের, যেখানে মানবজাতি আন্তঃগ্রহীয় সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। দেখানো হয়েছে সেখানকার ক্ষমতা, বিশ্বাস, পরিবেশ, সম্পদের ওপর নির্ভর করে তাদের জীবন ও রাজনীতি নানা দিক। এই সব কিছু শুরু হয় আরাকিস গ্রহে পাওয়া মহাবিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ স্পাইসকে কেন্দ্র করে। এই স্পাইস ব্যবহার করে আন্তঃনাক্ষত্রিক ভ্রমণ করা যায়, এটা মানুষের আয়ুও বাড়ায়। একে কেন্দ্র করে যে গল্পের সূচনা হয়, পরতে পরতে তার বিশ্বাসঘাতকতা ও রোমাঞ্চের আখ্যান। মিস না করতে চাইলে শিগগিরই দেখে ফেলুন ডুন।

১০

মুভির নাম: ব্লেড রানার ২০৪৯

পরিচালক: ডেনিস ভিলেন্যুভ

ধরন: ড্রামা, অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার

প্রকাশকাল: ২০১৭

ব্যাপ্তি: ২ ঘণ্টা ৪৪ মিনিট

আইএমডিবি রেটিং: ৮.০

 

ডেনিস ভিলেন্যুভ পরিচালিত ব্লেড রানার ২০৪৯ একটি নিও-নয়ার সায়েন্স ফিকশন মুভি, যা ১৯৮২ সালের কাল্ট ক্লাসিক ব্লেড রানার-এর সিক্যুয়েল। এটি এমন এক ডিস্টোপিয়ান ভবিষ্যতের গল্প, যেখানে মানুষ ও রেপ্লিক্যান্ট বায়ো ইঞ্জিনিয়ারড কৃত্রিম মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে। অসাধারণ ভিজ্যুয়াল রয়েছে মুভিটিতে।

লেখক: শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ

তীব্র গরমের তাপদাহে রেললাইন বেঁকে যায় কেনো?

 

 

সারা দেশে প্রচণ্ড গরম। কোথাও কোথাও ৪০-৪৬ ডিগ্রি তাপ। মানুষ তো হাপিয়ে যাচ্ছে এমনকি তীব্র গরমে রেল লাইন বেঁকে যাচ্ছে। এখানে হাহা দেয়ার কি আছে? এর তো ব্যাখ্যা আছে। তাপে রেললাইন বেঁকে যাওয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি? 

রেললাইনের দুই পাতের মধ্যবর্তী স্থান ফাঁকা রাখা হয় কেনো? যখন ট্রেন চলাচল করে তখন পাত গরম হয়ে বড় হয়ে যায়। তাই দুই পাতের মধ্যবর্তী স্থান একটু ফাঁকা রাখা হয়।



কোনো কিছু তে তাপ দিলে সেটা বড় হয়। রেললাইন অতিরিক্ত গরমের কারণে বড় হয়। দৈর্ঘেও বাড়ে আবার প্রস্থেও বাড়ে। রেললাইন বসানোর সময় দুইটা লোহার পাত এর মধ্যে একটু ফাঁকা জায়গা রেখে বসানো হয়। যাতে গরমে লোহার পাত এর আয়তন বাড়লেও লাইন এর কোনো সমস্যা না হয়। কিন্তু গরম বেশি হওয়ায় ওই ফাঁকা জায়গা পূরণ হয়ে যাওয়ার পরেও রেললাইন বৃদ্ধি পাইতে থাকে তখন ঐ লাইন বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো ফাঁকা জায়গা না থাকায় বেকে যায়।

৯/১০ এর ফিজিক্স বইতে পাবেন।

গণত্রাণের ১০ কোটি টাকা ব্যাংকে আছে, তার ৮ কোটি আছে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে

 গণত্রাণের ১০ কোটি টাকা ব্যাংকে আছে, তার ৮ কোটি যাচ্ছে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) বন্যার্তদের জন্য গণত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচিতে ত্রাণ কার্যক্রমের হিসাবসংক্রান্ত নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গণত্রাণের ৯ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ২১৩ টাকা দুটি ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষিত আছে। এর মধ্যে ৮ কোটি টাকা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে জমা দেওয়া হবে। বাকি ১ কোটি ৯১ লাখ টাকা দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যাকবলিত জেলাগুলোর মানুষের জন্য খরচ করা হবে।


মঙ্গলবার রাতে টিএসসি মিলনায়তনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। ত্রাণ কার্যক্রমের হিসাবসংক্রান্ত নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশসহ উত্তরবঙ্গে ত্রাণ কার্যক্রম এবং সার্বিক পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।


ত্রাণ সংগ্রহ কার্যক্রমে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা পাওয়া যায়নি বলে জানান চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আজিজ হালিম খায়ের চৌধুরী ও অডিটর গোলাম ফজলুল কবির।


সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা বলেন, মোট ১১ কোটি ৬৯ লাখ ৮৪ হাজার ৪২০ টাকার তহবিল সংগ্রহ হয়েছিল। এর মধ্যে ৯ কোটি ৮৫ লাখ ১৫ হাজার ৪২৫ টাকা নগদ এবং বাকি টাকা মোবাইল ব্যাংকিং, প্রাইজ বন্ড, ডলার ও অন্যান্য মাধ্যমে আসে। এর মধ্যে মোট খরচ হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৩৩ হাজার ২০৭ টাকা। বর্তমানে ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্টে ৯ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ২১৩ টাকা রয়েছে।


ফজলুল কবির বলেন, ‘তাঁরা (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন) জরুরি ভিত্তিতে ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা নিয়েছিলেন। তবে আমরা বলেছি, এগুলো ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে থাকা উচিত নয়। এতে আইনগতভাবে এর মালিকানা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাতে থাকে না। তাঁরা আমাদের কথা শুনেছেন'।


সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জাতীয় বন্যা পুনর্বাসন কেন্দ্রের সদস্য লুৎফর রহমান বলেন, ‘আমরা এই টাকাটা দুইভাবে খরচ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ৮ কোটি টাকা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গের বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে আমাদের ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার রাতে আমাদের পাঁচটি টিম সেখানে গেছে। সেখানে জেলা প্রশাসন ও ছাত্র প্রতিনিধিদের মাধ্যমে আমরা আমাদের ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করব। আগামীকাল থেকেই সেটি শুরু হবে।’

2

তহবিলে টাকা বেড়ে যাওয়ার কারণ

ত্রাণ কার্যক্রম স্থগিত করে গত ৪ সেপ্টেম্বর একটি আর্থিক হিসাব দিয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সেখানে ১১ কোটি ১০ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৯ টাকা আয় এবং ১ কোটি ৭৫ লাখ ১২ হাজার ৭৯৪ টাকার হিসাব দেওয়া হয়। সেই হিসাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কাছে অবশিষ্ট ছিল ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৭৭৫ টাকা। কিন্তু নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবশিষ্ট রয়েছে ৯ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ২১৩ টাকা।


অবশিষ্ট টাকার এই অমিলের বিষয়ে জানতে চাইলে সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের আগের হিসাব ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এরপরও আমাদের কাছে বিভিন্নভাবে অর্থ এসেছে, যেগুলো অডিটে যোগ হয়েছে। এ ছাড়া অনেকগুলো চেক এসেছিল, যেগুলো আমরা তখন ক্যাশ করাতে পারিনি। সেগুলো ক্যাশ করার পর এখানে যুক্ত করা হয়েছে। অনেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে চেক দিয়েছেন। কিন্তু তখনো এই নামে আমাদের কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না।’


হাসনাত বলেন, ‘ত্রাণ সংগ্রহ কর্মসূচিতে অনেকে গয়না দিয়েছেন, যেগুলো আমরা বিক্রি করে টাকা পেয়েছি। টিএসসিতে ত্রাণ কার্যক্রমের পর থেকে যাওয়া কার্টুন এবং অন্যান্য সামগ্রী বিক্রির টাকা যোগ হয়েছে। এ ছাড়া এক বস্তার মতো কয়েন ছিল, যেখানে ২ লাখ টাকার বেশি হয়েছে। এগুলো আগে গণনা করা যায়নি। এসব কারণে অবশিষ্ট টাকার পরিমাণ বেড়ে গেছে। একজন ব্যক্তি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে ৩০ লাখ টাকার একটি চেক দিয়েছিলেন, কিন্তু অ্যাকাউন্ট না থাকায় তখন আমরা সেটি তুলতে পারিনি।’


সংবাদ সম্মেলনে আরেক সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা চাইলে শুরুতেই একটি অডিট রিপোর্ট করে দিতে পারতাম। কিন্তু তাতে স্বচ্ছতা নিরূপণ করা যেত না। আমরা কার্যক্রম শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই অডিট ফার্মের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা সময় নিয়ে কাজটি করে আজ প্রতিবেদন দিয়েছে।’


সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার, আবদুল কাদের, মাহিন সরকার, হাসিব আল ইসলাম প্রমুখ।

বিজ্ঞান বিষয়ক কিছু বইয়ের PDF লিংক

মাইক্রোওয়েভ ওভেন যেভাবে কাজ করে

Microwave oven



প্রথম প্রথম খুব অবাক লাগত যে, আমি প্লেটে করে খাবার দিচ্ছি ওভেনে। খাবার গরম হচ্ছে, কিন্তু প্লেট গরম হচ্ছে না। কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব? কারণ ওভেন থেকে যে গরম বাতাস খাবারকে গরম করার কথা, তা তো একই সাথে প্লেটটিকেও গরম করার কথা! কিন্তু সেরকম তো হচ্ছে না!


যারা যন্ত্রটি সম্পর্কে সামান্য জানেন তারা ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছেন আমার উপরের ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল! ওভেনে আসলে এরকম কোনই যন্ত্র নেই যা থেকে কোন গরম বাতাস বের হয়ে খাবারকে গরম করে। 


আসলে ‘মাইক্রোওভেন’ এই নামটিতেই অনেকটা এর কাজের মূলনীতি লুকানো আছে। কি? ধরতে পারলেন না? ইংরেজিতে ব্যাপারটি পরিস্কার বুঝতে পারবেন।


Micro + wave + oven = Microwave oven (যাকে আমরা সচরাচর ‘মাইক্রোওভেন’ নামে ডেকে থাকি)।


মাইক্রোওভেন এ আসলে মাইক্রোওয়েভস এর মাধ্যমে খাবার গরম করা হয়। সাধারণত 2500 মেগা হার্জ বা 2.5 গিগা হার্জ এর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় এসব যন্ত্রে। এই কম্পাঙ্কের তরঙ্গের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। তা হল এই কম্পাঙ্কের তরঙ্গ কেবলমাত্র পানি, চর্বি এবং চিনি জাতীয় বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। আর শোষিত হওয়া মাত্রই তরঙ্গটি আনবিক তাপগতিতে পরিণত হয় এবং বস্তুটিকে গরম করে। সিরামিক, গ্লাস এবং অধিকাংশ প্লাস্টিক এই তরঙ্গ শোষণ করতে পারে না, আর এই জন্যই ওভেনে পাত্র গরম হয় না এবং শক্তিরও অপচয় হয় না। এক ঢিলে দুই পাখি মারা আর কি।


মাইক্রোওভেনে কখনও ধাতব পাত্র ব্যবহার করা উচিত নয়। এটি বলা হয়ে থাকে কারণ ধাতব পাত্র মাইক্রো ওয়েবকে প্রতিফলিত করে এবং খাবার কে গরম হতে বাধা দেয়।

ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরে কেনো?

 



অনেকেই ঘুমের মধ্যে হঠাৎ করে জেগে ওঠেন, শত চেষ্টা করেও হাত পা নাড়াতে পারেন না, অন্যদিকে শ্বাস নিতেও খুব কষ্ট হচ্ছে। অনেকেই এসময় নিজের দেহ থেকে আত্মাকে আলাদা হয়ে যেতে দেখেন, কেউ ভূত-জীন-পরী ইত্যাদি দেখে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন এমন হয়? 

আসলে আমাদের মস্তিষ্ক বেশ জটিল একটি অঙ্গ। আর বুদ্ধিমত্তা ও চেতনা বিষয়টাকে আমরা যেমন একটি আলাদা জিনিস ভাবি বিষয়টা তেমন নয়। এই যে আমি বলে ভাবছি- আমি খাচ্ছি, আমি হাটছি, আমি সিদ্ধান্ত নিচ্ছি- এই আমি আসলে অনেকগুলো প্রক্রিয়ার একটা সম্মন্নিত রূপ। এই আমি থেকে এক একটি উপাদান যদি বাদ দেওয়া হয় তখন আপনি আর এই আপনি থাকবেন না। যেমন স্বপ্ন দেখার সময় আপনার যৌক্তিক চিন্তা করার অংশটা বন্ধ থাকে বলে আপনি গাড়ি নিয়ে অনায়াসে উড়ে যান। সেই আপনিও যেন একটু কেমন যেন, ঠিক দিনের বেলার আপনি না। অদ্ভুত সব কাজ করেন, আর আপনার চারপাশের দৃশ্যও থাকে অদ্ভুত।

আবার আমাদের মস্তিষ্কের অনেকগুলো বিপরীতধর্মী দুই অংশ একই সাথে কাজ করে বলে আমরা মানুষরা অনেক স্ববিরোধী কাজ করি। নিজেদের জন্য ক্ষতিকর অনেক কাজ করি, নিজেদের জন্য লাভজনক অনেক কাজ করি না। বাড়িতে থাকা বউকে অনেক ভালবাসি, কিন্তু তাকে রেখে আরেক সুন্দরীর সাথে প্রেমও করি। সেই প্রেম করার সময় আবার বাড়িতে রাখা বউয়ের জন্য মায়াও লাগে। মনে হয় কাজটা ভাল হচ্ছে না। এমন হয়, কারন আপনার মস্তিষ্কের সরীসৃপ অংশ (reptile cortex) আপনাকে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি ঠেলে দেয়। কিন্তু পাইমেট ব্রেইন বা নিওকর্টেক্স আপনাকে এটাও বলে যে এটি পারিবারিক বন্ধনের জন্য ক্ষতিকর। 

আমাদের ঘুমের বিভিন্ন পর্যায় রয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ের মস্তিষ্কের আলাদা আলাদা অংশ সক্রিয় থাকে। স্বপ্নহীন ঘুমের মধ্যে তেমন কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু স্বপ্নযুক্ত ঘুমের সময় যদি আমরা পিঠের উপর ভর দিয়ে শুয়ে থাকি তাহলে অনেক সময় আমাদের শ্বাসনালী দিয়ে বাতাস নিতে সমস্যা হয়। তখন অনেক ক্ষেত্রে আমাদের মস্তিকের সতর্কীকরন ব্যবস্থা আমাদের মস্তিষ্ককে একটু জাগিয়ে দেয়। এতে যদি আমরা পাশ ফিরে শুই, বা নড়াচরা করি তাহলে অনেক সময় এই শ্বাসের সমস্যা ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু অনেক সময় তা ঠিক হয় না। তখন আমাদের মস্তিক্স এভাবে দুই তিন বারের সতর্কের ফলে প্রায় পুরোপুরি জেগে যায়। কিন্তু ঘুমের সময় আমাদের ইচ্ছেমত নড়াচড়া করার অংশটা অনেক ক্ষেত্রেই এ্যাকটিভ হয় না। তখনই শুরু হয় বোবায় ধরা। কারন আপনার মস্তিষ্ক তখন স্বপ্ন দেখার স্টেজে, তাই আপনি ভূত প্রেত সহ যেকোনো আজব কিছুই দেখতে পারেন, হয়ত শুয়ে শুয়ে গাড়িও চালতে পারেন। কারন আপনার যুক্তির অংশটা কাজ করছে না। কিন্তু আপনার মস্তিক্সের প্রায় অনেকটাই আবার জেগে আছে, তাই আপনি যে আপনি, সেই চিন্তাটা সচেতনভাবে করতে পারেন। অন্যদিকে আপনার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। এর ফলে মস্তিক্সের ভয় সেন্টার এ্যাকটিভ হয়ে যায়। আর সবচেয় বড় সমস্যা হলো- আপনি চাইলেও আপনার হাত পা নাড়াতে পারেন না। কারন মস্তিক্সের সেই অংশটি এখন অফ আছে।  

মূল কথা হলো- এই বোবায় ধরা এমন একটি অবস্থা, যখন আমাদের শ্বাসকষ্ট হয় এবং তার কারনে মস্তিষ্কের বেশ কিছু অংশ এ্যাক্টিভ থাকে কিন্তু আবার প্রয়োজনীয় বেশ কিছু অংশ এ্যাক্টিভ না থাকার কারনে আমাদের এক ধরণের অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতা হয়।  

তথ্যসূত্রঃ Cheyne, J.; Rueffer, S.; Newby-Clark, I. (1999). "Hypnagogic and Hypnopompic Hallucinations during Sleep Paralysis: Neurological and Cultural Construction of the Night-Mare". Consciousness and Cognition. 8 (3): 319–337.

দয়া করে মসজিদে এসব চেয়ার টানাটানি বন্ধ করুন

 

দয়া করে মসজিদে এসব চেয়ার টানাটানি বন্ধ করুন।

 


আপনি সুস্থ হোন কিংবা অসুস্থ, নামাজ তো মাফ নেই, মসজিদে এসে নামাজ আপনাকে পড়তেই হবে। যদি কোনোভাবেই মসজিদে আসার সামর্থ্য না থাকে তাহলে বাড়িতেই নামাজটা আদায় করতে হবে। দাঁড়িয়ে পড়তে না পারলে বসে পড়তে হবে। তাও না পারলে শুয়ে শুয়ে ইশারার মাধ্যমে নামাজ পড়তে হবে। তারপরও নামাজ মাফ নেই।


ইদানিং মসজিদে এসে চেয়ারে বসে নামাজ পড়া একটি প্রথা আমাদের সমাজে পরিলক্ষিত হচ্ছে। আসলে মসজিদে যারা চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করেন তারা নিজেরাই মুফতী সেজে ফতোয়া দিয়ে বসেন। কেউ কেউ  সৌদি,কুয়েত, কাতার সহ আরব আমিরাতের দেশগুলোকে দলিল হিসেবে দাড় করিয়ে বলকে থাকেন, তারা যদি সোফায় বসে নামাজ পড়তে পারে আমরা পারবোনা কেনো? আসতাগফিরুল্লাহ। সৌদিআরব তো ইসলামের কোনো দলিল নয়, কুয়েত কাতার কিংবা আরবদেশগুলো কি ইসলামের দলিল?

 এখনই যদি মসজিদে এইসব সব চেয়ার/সোফা টানাটানি বন্ধ না করা হয়। তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এটা দলিল হয়ে দাড়াবে। তারা বলতে থাকবে, আমাদের বাপদাদারা চেয়ারে বসে নামাজ পড়েছেন। এটা যদি ঠিক না হতো তাহলে তারা কি চেয়ারে বসে নামাজ পড়তো?

 প্লিজ ইসলাম কে এত সস্তা ভাববেন না, কারো মনগড়া ইসলাম চলবে না। কোরআন হাদীস যেভাবে বলে ঠিক সেভাবেই ইসলামের বিধানসমুহ পালণ করতে হবে। অবস্থা দিন দিন এমন হচ্ছে যে, কয়েক বছর পর জুমার নামাজে মসজিদ কমিটিকে ডেকোরেটর ভাড়া করতে হবে। আমাদের সমাজে এমন কিছু লোক আছে তারা হাটে ঘাটে মাঠে গিয়ে সারাদিন কাজকর্ম করতে পারেন অথচ সামান্য সময়ের নামাজের জন্য চেয়ার লাগে। এমনও দেখেছি সারা সপ্তাহে একদিন শুক্রবার আসলে মসজিদে চেয়ার ছাড়া বসতে চান না। এসব লোক কি চেয়ারে বসে বসে মসজিদে আসেন নাকি পায়ে হেটে আসেন?

যদি পায়ে হেটে মসজিদ পর্যন্ত আসতে পারেন তাহলে পায়ে ভর করে নামাজটাও আদায় করতে পারবেন। আপনি যদি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে না পারেন তাহলে বসে নামাজ পড়বেন। তাও না পারলে  ইশারার মাধ্যমে শুয়ে নামাজ পড়বেন। দাঁড়িয়ে সামাজ না পড়তে পারলে বসে পড়বেন সমস্যা নাই। চেয়ার ছাড়া ফ্লোরে বসে নামাজটা আদায় করবেন।

Comments

তীব্র গরমের তাপদাহে রেললাইন বেঁকে যায় কেনো?

 

সারা দেশে প্রচণ্ড গরম। কোথাও কোথাও ৪০-৪৬ ডিগ্রি তাপ। মানুষ তো হাপিয়ে যাচ্ছে এমনকি তীব্র গরমে রেল লাইন বেঁকে যাচ্ছে। এখানে হাহা দেয়ার কি আছে? এর তো ব্যাখ্যা আছে। তাপে রেললাইন বেঁকে যাওয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি? 

রেললাইনের দুই পাতের মধ্যবর্তী স্থান ফাঁকা রাখা হয় কেনো? যখন ট্রেন চলাচল করে তখন পাত গরম হয়ে বড় হয়ে যায়। তাই দুই পাতের মধ্যবর্তী স্থান একটু ফাঁকা রাখা হয়।



কোনো কিছু তে তাপ দিলে সেটা বড় হয়। রেললাইন অতিরিক্ত গরমের কারণে বড় হয়। দৈর্ঘেও বাড়ে আবার প্রস্থেও বাড়ে। রেললাইন বসানোর সময় দুইটা লোহার পাত এর মধ্যে একটু ফাঁকা জায়গা রেখে বসানো হয়। যাতে গরমে লোহার পাত এর আয়তন বাড়লেও লাইন এর কোনো সমস্যা না হয়। কিন্তু গরম বেশি হওয়ায় ওই ফাঁকা জায়গা পূরণ হয়ে যাওয়ার পরেও রেললাইন বৃদ্ধি পাইতে থাকে তখন ঐ লাইন বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো ফাঁকা জায়গা না থাকায় বেকে যায়।

বাংলা ফ্রি ফন্ট ব্যবহার করে ডিজাইনিং করুন


বাংলা ফ্রি ফন্ট ডাউনলোড করুন 

  আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে উপস্থিত হলাম হাজার হাজার ফ্রি বাংলা ফন্ট এবং প্রিমিয়াম বাংলা ফন্টের বড় একটি প্লাটফর্ম। এই সাইটে রয়েছে বাংলা ফন্টের বিপুল সমাহার।
  বাংলা ফন্ট জগতের আকর্ষণীয়, নিত্য-নতুন, আভিজাত্য ও পছন্দনীয় সকল বাংলা ফন্ট উপহার দিচ্ছে এই সাইট। ফন্ট লিপি, লিপিঘর, বঙ্গ লিপি, অক্ষর ৫২, ফন্ট বিডি, বাংলার ফন্ট, ওমিক্রনল্যাব, কোডপত্র, বিডি লাইফ সহ দারুণ সব বাংলা ফন্ট জগতের বিপুল সমাহার এই সাইট।
  আপনি যদি আরো উন্নত ও পছন্দনীয় ফন্ট নিতে চান তাহলে প্রিমিয়াম ফন্ট গুলো কিনতে পারেন। আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয় ফন্টগুলো দেখতে ও কিনতে চাইলে এখান থেকে নিতে পারবেন।





আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে উপস্থিত হলাম ফ্রি বাংলা ফন্ট এবং প্রিমিয়াম বাংলা ফন্টের বড় একটি প্লাটফর্ম ,আমাদের সাইটে রয়েছে বাংলা ফন্টের বিপুল সমাহার। নিত্য-নতুন ও আভিজাত্য সকল বাংলা ফন্ট উপহার দিচ্ছি আমরা। এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন👉 


এরকম আরো হাজারো বাংলা ফ্রি ফন্ট পেতে চাইলে নিচের সাইটগুলো থেকে ডাউনলোড করে নিন।

আপনি যদি আরো উন্নত ও পছন্দনীয় ফন্ট নিতে চান তাহলে প্রিমিয়াম ফন্ট গুলো কিনতে পারেন। আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয় ফন্টগুলো দেখতে ও কিনতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

* https://fontlipi.com/shop

* https://lipighor.com/premiumfont.html

* https://fontbd.com/premium-font/

আরো আকর্ষনীয় সব ফিচার পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।।

এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই ঢাবি

এশিয়া মহাদেশের সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভারত, ভিয়েতনাম ও পাকিস্তানের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম থাকলেও নেই বাংলাদেশের পাবলিক বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। টাইমস হায়ার এডুকেশনে এশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় ১৮৬তম অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ১৯২তম অবস্থানে আছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

২০২৩ শিক্ষাবর্ষে টাইমস হায়ার এডুকেশনের প্রকাশিত ম্যাগাজিন থেকে এ তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, পাঠদান, গবেষণা, জ্ঞান বিনিয়ময় ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি এই চারটি বিষয়ে ১৩টি দক্ষতার ভিত্তিতে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।



তালিকার ৪০১ থেকে ৫০০তম অবস্থানে বাংলাদেশের আরো ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাকৃবি ও কুমিল্লা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-কুয়েট।


ম্যাগাজিনে আরো বলা হয়, মোট ১ হাজার ৭৯৯টি বিশ্ববিদ্যালয় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংক পাওয়ার যোগ্যতা পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি 'রিপোর্টার' হিসেবে মূল তালিকায় যুক্ত করার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। 


তালিকায় রিপোর্টার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, যশোর প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়।



প্রাসঙ্গিক

সম্পর্কিত খবর

চবির সাংবাদিকতা বিভাগে ফ্যাক্ট চেক বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

চবির সাংবাদিকতা বিভাগে ফ্যাক্ট চেক বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

দুজন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার

দুজন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯১৩ কোটি টাকার বাজেট, গবেষণায় ১.৬৪ শতাংশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯১৩ কোটি টাকার বাজেট, গবেষণায় ১.৬৪ শতাংশ

চবিতে সাংবাদিক মোহাম্মদের ওপর হামলা, শাস্তির দাবি ডুজার

চবিতে সাংবাদিক মোহাম্মদের ওপর হামলা, শাস্তির দাবি ডুজার



ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে কেন?

ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে কেন?


ঘড়ির কাঁটা কেন ডান দিকে ঘোরে। কারণ, ঘড়ি আবিষ্কার হয়েছিল ইংল্যান্ড বা ইউরোপের কোনো দেশে। এর আগে ছিল সূর্যঘড়ি। ইংল্যান্ড পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে হওয়ায় সূর্য দক্ষিণ আকাশে হেলে থাকে। এ কারণে সূর্যঘড়ির যে দণ্ডের ছায়া দেখে সময় পরিমাপ করা হয়, সেই ছায়াটি বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ঘোরে। কারণ, ওই স্থানটি উত্তর গোলার্ধে। ওখানে সূর্য যখন পূব থেকে পশ্চিমে যায়, তখন সূর্যঘড়ির দণ্ডের ছায়াটি বাঁ থেকে ডান দিকে ঘোরে। তাই ঘড়ি আবিষ্কারের সময় স্বাভাবিক ও অভিজ্ঞতালব্ধ চিন্তা অনুযায়ী ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরানোর পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।





মানব সভ্যতায় ঘড়ি একটি যুগান্তকারি আবিস্কার। পৃথিবীর প্রায় সব জায়গায় ঘড়ির ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু আজ আমরা যে ঘড়ি ব্যবহার করছি তার ইতিহাস অনেক পুরনো । পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ঘড়ি, মানে সবচেয়ে পুরোনো সূর্যঘড়ির মর্যাদা পায় মিশরীয়দের ওবেলিস্ক।


ধারণা করা হয়, মিশরীয়রা এই ঘড়ি বানানো শিখেছিল খ্রিস্টের জন্মেরও সাড়ে ৩ হাজার বছর আগে। এরকম আরেকটা ঘড়িকে বলা হয় ‘শ্যাডো ক্লক’। ‘শ্যাডো ক্লক’ টা বানিয়েছিল ব্যবিলনীয়রা, খ্রিস্টের জন্মের প্রায় দেড় হাজার বছর আগে।


এই সূর্যঘড়িগুলোতে সময় দেখা হতো সূর্যের ছায়া দেখে। অর্থাৎ সময় নির্দেশক যে কাঁটা বা দণ্ড, সেটা স্থির থাকতো আর সূর্যের ছায়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সরে যেতো। আর আমাদের ঘড়িতে আবার উল্টো; এই কাঁটাগুলোই ঘুরে ঘুরে সময় জানান দেয়। ছায়া দেখার কোনো বালাই-ই নেই। এরকম ঘড়ি, মানে যে ঘড়িতে কাঁটা ঘুরে ঘুরে সময় জানান দেয়, সেরকম ঘড়ি প্রথম বানানো হয় ১৩ শতকে। তবে তখনই এই ঘড়িগুলো তেমন জনপ্রিয় হয়নি। হবে কী করে বলো, তখনো যে মানুষের সময় দেখার তেমন প্রয়োজনই হয়নি। সূর্য দেখেই মানুষ বুঝতো- এখন সকাল না দুপুর, বিকাল না সন্ধ্যা। তখন এরচেয়ে বেশি সময় দেখার তেমন দরকার হতো না।



এর মোটামুটি ৪০০ বছর পরে, ১৮ শতকে যখন কল-কারখানা বসতে শুরু করলো, তখন মানুষের সময় দেখার দরকার হতে শুরু করলো। নির্দিষ্ট সময়ে কারখানায় যেতে হবে, নির্দিষ্ট সময় দুপুরের খাবার খেয়ে আবার কাজে লাগতে হবে, নির্দিষ্ট সময়ে ছুটি হবে। তা না হলে যে কারখানাই চলবে না! কারখানায় যদি একজন সকাল সাতটায়, একজন সকাল আটটায়, আরেকজন সকাল নয়টায় আসে, মানে যেমন ইচ্ছে তেমন আসতে থাকে, তাহলে কী করে হবে বলো? তখন সবার ওই কাঁটাওয়ালা ঘড়ির দরকার পড়লো; যেন সবাই সময় মতো সব কাজ করতে পারে। এবার কিন্তু ঘড়ি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠলো।



এবার একটা হিসেব মেলানো যাক। যে অঞ্চলে পুরোনো ঘড়িগুলো তৈরি হয়েছিল, মিশর আর ব্যবিলন- এগুলো কিন্তু একই অঞ্চলে। আর এই অঞ্চলের অবস্থানের কারণে সূর্যঘড়ির ছায়া দিনের সাথে ক্রমাগত পশ্চিম থেকে উত্তর হয়ে পূর্বদিকে সরে যেত। অর্থাৎ, দিন যতো গড়িয়ে রাতের দিকে যেত, ছায়াও ততো পশ্চিম দিক থেকে উত্তর দিক হয়ে পূর্ব দিকে যেত। সেখান থেকেই ঘড়ির কাঁটার দিকের ব্যাপারটা এসেছে। সেই অনুযায়ী-ই ঘড়ির কাঁটা পশ্চিম থেকে উত্তর ছুঁয়ে পূর্ব দিকে যায়।



ভাবছেন, পশ্চিম-উত্তর-পূর্বের সাথে আবার বাম- ডানের কী সম্পর্ক? আচ্ছা, তাহলে একটা মানচিত্র নিয়ে বসেন। দেখেন তো, মানচিত্রের উপরের দিকে দিক নির্দেশক একটা চিহ্ন আছে কিনা? পেয়েছেন? এবার দেখুন তো, উপরের দিকের চিহ্নের পাশে কোন দিকের কথা লেখা? আর কিছু লেখা না থাকলেও ইংরেজি বর্ণের ‘এন’ লেখা আছে, তাই না? এই ‘এন’র হলো নর্থ বুঝাতে লেখা হয়। বাংলায় যাকে বলে উত্তর ।



আর মানচিত্রের নিচের দিকটা হল দক্ষিণ। এবার দেখো তো, বাম দিকে আর ডান দিকে কী পরে? হ্যাঁ, বাম দিকে পশ্চিম, আর ডান দিকে পূর্ব। এবার বুঝলেন তো, ঘড়ির কাঁটা কেন বাম থেকে সবসময় ডান দিকে যাচ্ছে?