পোস্টগুলি

তীব্র গরমের তাপদাহে রেললাইন বেঁকে যায় কেনো?

ছবি
  সারা দেশে প্রচণ্ড গরম। কোথাও কোথাও ৪০-৪৬ ডিগ্রি তাপ। মানুষ তো হাপিয়ে যাচ্ছে এমনকি তীব্র গরমে রেল লাইন বেঁকে যাচ্ছে। এখানে হাহা দেয়ার কি আছে? এর তো ব্যাখ্যা আছে। তাপে রেললাইন বেঁকে যাওয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কি?  রেললাইনের দুই পাতের মধ্যবর্তী স্থান ফাঁকা রাখা হয় কেনো? যখন ট্রেন চলাচল করে তখন পাত গরম হয়ে বড় হয়ে যায়। তাই দুই পাতের মধ্যবর্তী স্থান একটু ফাঁকা রাখা হয়। কোনো কিছু তে তাপ দিলে সেটা বড় হয়। রেললাইন অতিরিক্ত গরমের কারণে বড় হয়। দৈর্ঘেও বাড়ে আবার প্রস্থেও বাড়ে। রেললাইন বসানোর সময় দুইটা লোহার পাত এর মধ্যে একটু ফাঁকা জায়গা রেখে বসানো হয়। যাতে গরমে লোহার পাত এর আয়তন বাড়লেও লাইন এর কোনো সমস্যা না হয়। কিন্তু গরম বেশি হওয়ায় ওই ফাঁকা জায়গা পূরণ হয়ে যাওয়ার পরেও রেললাইন বৃদ্ধি পাইতে থাকে তখন ঐ লাইন বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো ফাঁকা জায়গা না থাকায় বেকে যায়।

বাংলা ফ্রি ফন্ট ব্যবহার করে ডিজাইনিং করুন

ছবি
বাংলা ফ্রি ফন্ট ডাউনলোড করুন    আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে উপস্থিত হলাম হাজার হাজার ফ্রি বাংলা ফন্ট এবং প্রিমিয়াম বাংলা ফন্টের বড় একটি প্লাটফর্ম। এই সাইটে রয়েছে বাংলা ফন্টের বিপুল সমাহার।   বাংলা ফন্ট জগতের আকর্ষণীয়, নিত্য-নতুন, আভিজাত্য ও পছন্দনীয় সকল বাংলা ফন্ট উপহার দিচ্ছে এই সাইট। ফন্ট লিপি, লিপিঘর, বঙ্গ লিপি, অক্ষর ৫২, ফন্ট বিডি, বাংলার ফন্ট, ওমিক্রনল্যাব, কোডপত্র, বিডি লাইফ সহ দারুণ সব বাংলা ফন্ট জগতের বিপুল সমাহার এই সাইট।   আপনি যদি আরো উন্নত ও পছন্দনীয় ফন্ট নিতে চান তাহলে প্রিমিয়াম ফন্ট গুলো কিনতে পারেন। আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয় ফন্টগুলো দেখতে ও কিনতে চাইলে এখান থেকে নিতে পারবেন। আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে উপস্থিত হলাম ফ্রি বাংলা ফন্ট এবং প্রিমিয়াম বাংলা ফন্টের বড় একটি প্লাটফর্ম ,আমাদের সাইটে রয়েছে বাংলা ফন্টের বিপুল সমাহার। নিত্য-নতুন ও আভিজাত্য সকল বাংলা ফন্ট উপহার দিচ্ছি আমরা। এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন👉   1.  https://fontlipi.com/font/praner-modina-font/ 2.  https://fontlipi.com/font/humaira-stylish/ 3.  https://fontlipi.com/font/humai...

এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই ঢাবি

ছবি
এশিয়া মহাদেশের সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভারত, ভিয়েতনাম ও পাকিস্তানের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম থাকলেও নেই বাংলাদেশের পাবলিক বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। টাইমস হায়ার এডুকেশনে এশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় ১৮৬তম অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ১৯২তম অবস্থানে আছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে টাইমস হায়ার এডুকেশনের প্রকাশিত ম্যাগাজিন থেকে এ তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, পাঠদান, গবেষণা, জ্ঞান বিনিয়ময় ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি এই চারটি বিষয়ে ১৩টি দক্ষতার ভিত্তিতে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকার ৪০১ থেকে ৫০০তম অবস্থানে বাংলাদেশের আরো ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাকৃবি ও কুমিল্লা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-কুয়েট। ম্যাগাজিনে আরো বলা হয়, মোট ১ হাজার ৭৯৯টি বিশ্ববিদ্যালয় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংক পাওয়ার যোগ্যতা পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি 'রিপোর্টার' হিসেবে মূল তালিকায় যুক্ত করার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে। ...

ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে কেন?

ছবি
ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে কেন? ঘড়ির কাঁটা কেন ডান দিকে ঘোরে। কারণ, ঘড়ি আবিষ্কার হয়েছিল ইংল্যান্ড বা ইউরোপের কোনো দেশে। এর আগে ছিল সূর্যঘড়ি। ইংল্যান্ড পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে হওয়ায় সূর্য দক্ষিণ আকাশে হেলে থাকে। এ কারণে সূর্যঘড়ির যে দণ্ডের ছায়া দেখে সময় পরিমাপ করা হয়, সেই ছায়াটি বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ঘোরে। কারণ, ওই স্থানটি উত্তর গোলার্ধে। ওখানে সূর্য যখন পূব থেকে পশ্চিমে যায়, তখন সূর্যঘড়ির দণ্ডের ছায়াটি বাঁ থেকে ডান দিকে ঘোরে। তাই ঘড়ি আবিষ্কারের সময় স্বাভাবিক ও অভিজ্ঞতালব্ধ চিন্তা অনুযায়ী ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরানোর পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। মানব সভ্যতায় ঘড়ি একটি যুগান্তকারি আবিস্কার। পৃথিবীর প্রায় সব জায়গায় ঘড়ির ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু আজ আমরা যে ঘড়ি ব্যবহার করছি তার ইতিহাস অনেক পুরনো । পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ঘড়ি, মানে সবচেয়ে পুরোনো সূর্যঘড়ির মর্যাদা পায় মিশরীয়দের ওবেলিস্ক। ধারণা করা হয়, মিশরীয়রা এই ঘড়ি বানানো শিখেছিল খ্রিস্টের জন্মেরও সাড়ে ৩ হাজার বছর আগে। এরকম আরেকটা ঘড়িকে বলা হয় ‘শ্যাডো ক্লক’। ‘শ্যাডো ক্লক’ টা বানিয়েছিল ব্যবিলনীয়রা, খ্রিস্টের জন্মের প্রায় ...

বিশ্বকাপকে বিদায় জানালেন মেসি

ছবি
 বিশ্বকাপকে বিদায় জানালেন মেসি ছবিটি মেসির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারে পায়ের জাদুতে গোটা বিশ্বকে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন লিওনেল মেসি। সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সবকিছুই জিতেছিলেন। কেবল বিশ্বকাপটাই বাকি ছিল। কাতারে সেই অপূর্ণতাও ঘুচিয়েছেন ফুটবলের এই ক্ষুদে জাদুকর। ফুটবল থেকে চাওয়ার আর কিছুই নেই তার। অনেকেই ভেবেছিলেন, বিশ্বকাপের পর অবসর নেবেন মেসি। কিন্তু, আর্জেন্টিনার তিন তারকা জার্সিতে খেলতে চেয়েছেন তিনি। সেই আশাও পূর্ণ হয়েছে। এবার মেসি ঘোষণা দিলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন না তিনি। আজ মঙ্গলবার (১৩ জুন) এমন তথ্যই জানিয়েছেন ফুটবল বিষয়ক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম গোল ডটকম। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলতে আর্জেন্টিনা দল বর্তমানে চীনে। সেখানে টাইটান স্পোর্টসের সঙ্গে কথা বলেছেন মেসি। টাইটান স্পোর্টসের বরাতেই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েচে গোল ডটকম। প্রতিবেদনে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ‘আগামী বিশ্বকাপে খেলা প্রসঙ্গে মেসি বলেন, আমার মনে হয় না। আমি আগেও বলেছি, এটিই আমার শেষ বিশ্বকাপ। জানি না সামনে কী হবে। তবে, আমার দিক থেকে পরিষ্কার। সামনের বিশ্বকাপে যাচ্ছি ন...

মৃদু বিষধর সাপ

ছবি
  মৃদু বিষধর সাপ  12 June, 2023   |  No Comments Click to Share! আমরা অনেকেই জানি বিষের তিব্রতার ভিত্তিতে সাপকে ৩ ভাগে বিভক্ত করা হয়। বিষধর(venomous), মৃদু বিষধর(mildly venomous) এবং নির্বিষ(nonvenomous). বিষধর ও নির্বিষ সম্পর্কে ধারণা থাকলেও মৃদু বিষধর নিয়ে আমাদের জ্ঞান সীমিত। আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় মৃদু বিষধর সাপ। মূল আলোচনাঃ কোনো সাপ মৃদু বিষধর হওয়ার পেছনে দুইটা বিষয় জড়িত, বিষ দাঁতের ধরণ এবং অভ্যন্তরীণ জটিলতা।   ১. বিষ দাঁতের ধরণ(type of fangs): মৃদু বিষধর সাপেদের বিষদাঁতের ধরণ “ওফিসটোগ্লাইফা”। এদের পেছনের দিকে ছোট বিষদাঁত (rear fangs) থাকে। বিষদাঁতের সামনে 4+ সাধারণ “অ্যাগ্লাইফা” বা নিরেট দাঁত থাকে। এদের বিষদাঁত সুগঠিত নয়। বিষদাঁতের অভ্যন্তরীন অংশ ফাঁপা থাকেনা, এরা সিরিঞ্জের মতো বিষ ইনজেক্ট করাতে অক্ষম। দাঁতের মাঝে খাঁজ কাটা থাকে, খাঁজ কাটা অংশ দিয়ে বিষ প্রবাহিত হয়ে মানবশরীরে প্রবেশ করতে পারে। ২। অভ্যন্তরীণ জটিলতা(Internal complications): মৃদু বিষধর সাপেদের প্রচলিত বিষ থলি(venom gland) থাকে না। প্রচলিত বিষ থলির পরিবর্তে এদের একটা বিশেষ ধরণের গ্রন্থি থাকে। ...

বাংলাদেশের সাপ (বিষধর, স্বল্পবিষধর এবং নির্বিষ)(Snakes of Bangladesh)

ছবি
  বাংলাদেশের সাপ: বিষধর, স্বল্পবিষধর এবং নির্বিষ (Snakes of Bangladesh) আমাদের  দেশে  কতো প্রজাতির (Species)  সাপ    আছে এবং এই পৃথিবীতে কতো প্রজাতির সাপ আছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব জানা প্রায় অসম্ভব। কারন নিত্যনতুন প্রজাতির আবিষ্কার এটাকে দুরূহ করে তুলেছে। যেমন আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়াতে আমাদের দেশের থেকে বেশি প্রজাতির সাপ রয়েছে। তাই সে দেশ থেকে যেসব প্রজাতির সাপ আমাদের দেশে নেই সেইসব প্রজাতির সাপ সীমান্ত অতিক্রম করে আমাদের দেশে আসতে পারে এবং এখানে প্রজননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। সামুদ্রিক সাপের পক্ষে এটা আরো সহজ ব্যাপার। আবার ইন্ডিয়াতে ও একই ব্যাপার ঘটতে পারে। সুতরাং এটা বলা খুব কঠিন ঠিক কত প্রজাতির সাপ বাংলাদেশে আছে। বিভিন্ন গবেষকদের মতে আমাদের দেশে এলাপিডি (Elapidae), ভাইপারিডি(Viperidae), কলুব্রিডি (Colubridae), হাইড্রফিডি(Hydrophiidae),   এক্রোচোরডিডি(Acrochordidae),  পাইথনিডি (Pythonidae), বোইডি(Boidae), টাইফ্লোপিডি (Typhlopidae) পরিবারের (Family) প্রায় ৯৫-১০০ প্রজাতির সাপ আছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ প্রজাতির সাপ বিষধর (Venomous)...